,

শিরোনাম

কোটি টাকার বেশি বিনিয়োগ ও পাওনা টাকা উদ্ধারের দাবিতে আলফাডাঙ্গায় সংবাদ সম্মেলন

আলমগীর কবির, (ফরিদপুর) প্রতিনিধি: ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় খামার পরিচালনা, জমি লিজ এবং ঘাস ও ভুট্টা চাষে কোটি টাকার বেশি বিনিয়োগ করেও লভ্যাংশ, বেতন ও পাওনা টাকা ফেরত না পাওয়ার অভিযোগ তুলেছেন এক ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী। 

বুধবার (৭ অক্টোবর) দুপুরে আলফাডাঙ্গা উপজেলা প্রেসক্লাব সংলগ্ন এলাকায় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই অভিযোগ করেন মো. নাসিরুজ্জামান।

​সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে নাসিরুজ্জামান জানান, ২০১৯ সালে মোহাম্মদীয়া প্রতিষ্ঠানের এমডি মো. ইমামুল হক জনির মাধ্যমে গরুর খামারের মালিক ইউসুফ আল আমিনের সঙ্গে তাঁর পরিচয় হয়। পরবর্তীতে ইউসুফ আল আমিনের অনুরোধে তিনি খামার পরিচালনার দায়িত্ব নেন। খামারের পরিধি বাড়াতে তিনি মালা এলাকায় ২১ একর ও শুকুরহাটায় ২৫ একরসহ বিভিন্ন স্থানে জমি লিজ নেন। ওইসব জমিতে ঘাস ও ভুট্টা চাষ, জমি পরিষ্কার, বীজ ও সার ক্রয় এবং শ্রমিকদের মজুরি বাবদ তাঁর মোট ১ কোটি ১০ লাখ টাকা ব্যয় হয়েছে।

​তাঁর আরও অভিযোগ, চুক্তি অনুযায়ী বেতন ও পাওনা বুঝিয়ে না দিয়ে তাঁকে আর্থিক সংকটে ফেলা হয়েছে। উল্টো বকেয়া টাকা চাইতে গেলে তাঁর বিরুদ্ধে আদালতে মিথ্যা মামলা ও আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে এবং তাঁকে ও তাঁর পরিবারকে বিভিন্ন উপায়ে হুমকি দেওয়া হচ্ছে। ফলে তাঁরা বর্তমানে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।

​ঘাস ও ভুট্টা চাষের সপক্ষে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার পরামর্শ ও তাঁর কাছে সমস্ত দাপ্তরিক হিসাব-নিকাশ সংরক্ষিত রয়েছে বলে জানান তিনি। সংবাদ সম্মেলনে তিনি ব্যয়ের প্রকৃত হিসাব যাচাইপূর্বক বকেয়া বেতন, পাওনা পরিশোধ এবং নিজের ও পরিবারের জন্য আইনি সুরক্ষার জোর দাবি জানান।

​এ বিষয়ে অভিযুক্ত ইউসুফ আল আমিনের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাৎক্ষণিকভাবে তাঁর কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

সংবাদের আলো বাংলাদেশ সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

এই সপ্তাহের পাঠকপ্রিয়