,

শিরোনাম

শেরপুরে কালোবাজারে সার বিক্রি অভিযোগে মামলায় ১৫ সার ডিলারকে জেল হাজতে প্রেরন

শেরপুর প্রতিনিধি: শেরপুরে সরকারি বরাদ্দের ১৪ কোটি টাকার বিভিন্ন সার কালোবাজারে বিক্রির অভিযোগের মামলায় সদর উপজেলার ১৫ ডিলারকে জেল হাজতে পাঠিয়েছে আদালত।

আজ মঙ্গলবার দুপুরে শেরপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালতে ওই মামলার ১৬ জন আসামি হাজির হয়ে জামিন প্রার্থনা করলে আদালতের বিচারক মোহাম্মদ জহিরুল কবির তাদেরকে জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

আদালত সূত্রে জানা যায়, শেরপুর সদরের এক কৃষি কর্মকর্তার মামলায় আজ দুপুরে ১৬ জন সার ডিলার নিন্ম আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করেন। এরপর মামলার তথ্য পর্যালোচনা করে আদালত সদরের ১৫ সার ডিলারকে জেলা কারাগারে পাঠানের নির্দেশ দেয়। এদের মধ্যে এক ডিলারের উচ্চ আদালতে জামিনের মেয়াদ থাকায় পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করে তাকে জামিন দেওয়া।

জেল হাজতে প্রেরন করা আসামিরা হলেন- সুফিয়া বেগম, মো. রফিকুল ইসলাম, সুবর্ণা সাহা রায়, মরিয়ম আক্তার মুন্নি, মো. ফরহাদ আলী, তাপস নন্দী, সিরাজুল ইসলাম, ছামিদুল ইসলাম ফারাজী, বোরহান উদ্দিন, মাজাহারুল ইসলাম, আনোয়ার হোসেন, মনিরুজ্জামান মনির, প্রশান্ত সাহা, মো. রতন মিয়া এবং মো. বাদশা মিয়া।

মামলা সূত্রে জানা যায়, গত জুন মাসে শেরপুর সদর উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মো. আনোয়ার হোসেন পরিদর্শনের সময় বিভিন্ন অনিয়ম ধরা পড়ে। এসময় সংশ্লিষ্ট ডিলারদের সার বিক্রির রেজিস্টার ও ক্যাশ মেমো জব্দ করে যাচাই-বাছাই করলে ব্যাপক অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া যায়। পরে গত ২২ জুলাই তিনি বাদী হয়ে সার ব্যবস্থাপনা আইন, ২০০৬-এর ৯(২) ধারা অনুযায়ী সদরের ২০ সার ডিলারের বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের করেন।

এ বিষয়ে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পিপি এড. আব্দুল মান্নান বলেন, আসামিদের মধ্যে ১৫ জন উচ্চ আদালতের আদেশ অমান্য করায় তাদেরকে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। । এদের মধ্যে একজনের জামিনের সময় থাকায় তাকে জামিন দেয় আদালত। মামলার অন্য আসামীরা আসামিরা উচ্চ আদালত থেকে জামিনে আছেন।

উল্লেখ্য, মামলার এজাহারে বলা হয়, অধিক মুনাফার আশায় ডিলাররা সরকারি বরাদ্দের চার হাজার ৪১২ টন ইউরিয়া সার (মূল্য প্রায় ১১ কোটি ৯১ লাখ ২৪ হাজার টাকা), ৮২১ টন ডিএপি সার (মূল্য প্রায় এক কোটি ৭২ লাখ ৪১ হাজার টাকা), ১৩৪ টন টিএসপি সার (মূল্য প্রায় ৩৬ লাখ ১৮ হাজার টাকা) এবং অন্যান্য সার বাবদ প্রায় ৩৪ লাখ ৪০ হাজার টাকার সার কালোবাজারে বিক্রি করেন।

সংবাদের আলো বাংলাদেশ সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

এই সপ্তাহের পাঠকপ্রিয়