মঙ্গলবার, ৫ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

শিরোনাম

শত্রুতার জেরে বিষ প্রয়োগে পুকুরের মাছ নিধন, নিঃস্ব হওয়ার শঙ্কায় মৎস্যচাষি কায়ুম

মো: শাকিল আহমেদ, শ্রীবরদী (শেরপুর) প্রতিনিধি: ‎শেরপুর জেলার শ্রীবরদী উপজেলায় শত্রুতার জেরে পুকুরে বিষ প্রয়োগ করে মাছ নিধনের অভিযোগ উঠেছে। ‎এতে ব্যাপক আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন সফল মৎস্যচাষি এ বি এম কায়ুম। মঙ্গলবার ভোরে উপজেলার সিংগাবরুণা ইউনিয়নের তরমুজ পাড়া গ্রামে এই ন্যাক্কারজনক ঘটনাটি ঘটে। ‎স্থানীয় ও ভুক্তভোগী সূত্রে জানা গেছে, এ বি এম কায়ুম প্রায় ১০ একর জমির ওপর মোট ১০টি পুকুরে মাছ চাষ করে আসছিলেন।

প্রতিদিনের মতো আজ সকালে পুকুরের দেখভালের দায়িত্বে থাকা মকবুল হোসেন সকালে মাছের খাবার দিতে গিয়ে তিনি দেখেন, ১০টি পুকুরের মধ্যে ২টিতে প্রচুর পরিমাণ মরা মাছ ভেসে উঠছে। মুহূর্তের মধ্যেই মাছগুলো মরে পুরো পুকুরে ছড়িয়ে পড়ে। ধারণা করা হচ্ছে, রাতের আঁধারে কে বা কারা শত্রুতা করে ওই পুকুরগুলোতে বিষাক্ত কীটনাশক প্রয়োগ করেছে। ‎ ‎ ক্ষতিগ্রস্ত মৎস্যচাষি এ বি এম কায়ুম এর দায়ীত্ব প্রাপ্ত  চিকিৎসক মোঃ মোশারফ হোসেন  জানান, যে দুটি পুকুরে বিষ প্রয়োগ করা হয়েছে, সেখানে রুই, কাতল, তেলাপিয়া, সিলভার কার্পসহ বিভিন্ন প্রজাতির বড় মাছ ছিল।

বিষক্রি য়ায় সব মাছ মরে যাওয়ায় তার প্রায় কয়েক লক্ষ টাকার (আনুমানিক ১০ লক্ষাধিক) আর্থিক ক্ষতি হয়েছে। বিষয়টি এবি এম কায়ুম জানতে পেরে‎ কান্নায় ভেঙে পড়ে বলেন, “অনেক স্বপ্ন আর পুঁজি নিয়ে এই মাছ চাষ শুরু করেছিলাম। এই ক্ষতি আমি কীভাবে কাটিয়ে উঠব জানি না। আমি প্রশাসনের কাছে এর সুষ্ঠু বিচার চাই। ‎এই ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, একজন পরিশ্রমী উদ্যোক্তার ওপর এমন হামলা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। তারা অবিলম্বে দোষীদের খুঁজে বের করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। ভুক্তভোগী চাষি এ বিষয়ে থানায় মামলা করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন জানিয়েছে, অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সংবাদের আলো বাংলাদেশ সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

এই সপ্তাহের পাঠকপ্রিয়