ইরানের তেল শোধনাগারে ইসরায়েলের ভয়াবহ হামলা
সংবাদের আলো ডেস্ক: তেহরানে ইসরাইলি যুদ্ধবিমানগুলোর তীব্র হামলার পর ইরান ইসরাইলের উপর প্রতিশোধমূলক ক্ষেপণাস্ত্র হামলার নতুন ধারা শুরু করেছে। ইরানের ১২টি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের পর ইসরাইলি তেল শোধনাগারে আগুন। হামলার পর তেহরানে আকাশে ব্যাপক কালো ধোঁয়ার কুণ্ডলী দেখা গেছে। ইসরায়েলি ডিফেন্স ফোর্স বা আইডিএফ তেহরানে তেলের মজুত রাখার কয়েকটি কমপ্লেক্সে হামলার খবর নিশ্চিত করেছে।
ইসরাইলি সেনাবাহিনী জানিয়েছে যে ৮ মার্চ রাতে ইরান থেকে আরেকটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা শনাক্ত করা হয়েছে, যা ২৪ ঘন্টারও কম সময়ের মধ্যে ১২তম ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র হামলা।
আইডিএফ বলেছে, এটি জ্বালানি সংরক্ষণ ট্যাংকগুলোর ওপর চালানো একটি ‘উল্লেখযোগ্য হামলা’। তাদের দাবি, ইরানের শাসকগোষ্ঠী এসব জ্বালানি ট্যাংক সরাসরি ও নিয়মিতভাবে সামরিক অবকাঠামো পরিচালনার কাজে ব্যবহার করে।
যুদ্ধের ইতিহাসে এ প্রথম কোনো বেসামরিক শিল্প অবকাঠামোকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে বলে প্রতীয়মান হচ্ছে।
ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, তারা ইরানের ‘বেশ কয়েকটি’ জ্বালানি মজুদ কেন্দ্রে হামলা চালিয়েছে।
এদিকে, ইরান বেসরকারি স্থাপনায় এমন হামলার জন্য যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে দায়ী করেছে।
উল্লেখ্য, তেহরানসহ উত্তরাঞ্চলীয় প্রদেশগুলোতে আক্রান্ত তেল শোধনাগারটি থেকেই জ্বালানি সরবরাহ করত কর্তৃপক্ষ।
ওদিকে, লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বৈরুতের একটি হোটেলে ইসরায়েলি হামলায় ৪ জন নিহত ও আরও অন্তত দশ জন আহত হয়েছে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, যে হোটেলে বিমান হামলায় এসব হতাহতের ঘটনা ঘটেছে সেখানে দক্ষিণ লেবানন এবং বৈরুতের দক্ষিণ উপশহর থেকে যুদ্ধের কারণে বাস্তুচ্যুত হয়ে আসা মানুষরা আশ্রয় নিয়েছিলেন।
যদিও, এরপর আবারো হামলা হতে পারে এমন আশঙ্কায় কিছু মানুষকে ভবনটি ছেড়ে বেরিয়ে যেতে দেখা গেছে।



সংবাদের আলো বাংলাদেশ সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।