গোপালগঞ্জে ইসলামী ব্যাংক থেকে চুরি হওয়া ২০ লাখ টাকার ঘটনায় ২ পেশাদার চোর গ্রেফতার
মো: শিহাব উদ্দিন, গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি: দীর্ঘ অনুসন্ধান ও ধারাবাহিক অভিযানের মাধ্যমে অবশেষে ক্লুলেস চুরি মামলার রহস্য উদঘাটন করেছে গোপালগঞ্জ জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড-এর গোপালগঞ্জ সদর শাখায় সংঘটিত চুরির ঘটনায় জড়িত ২ জন পেশাদার চোরকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ সময় উদ্ধার করা হয়েছে চোরাই নগদ অর্থ ও চুরির কাজে ব্যবহৃত মোটরসাইকেল।
গত ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ দুপুর আনুমানিক ০১:৩৬ মিনিটে, গোপালগঞ্জ সদর থানা-এর আওতাধীন ইসলামী ব্যাংকের ম্যানেজারের অফিস কক্ষের টেবিলের নিচ থেকে ব্যাংক গ্রাহক ও মামলার বাদী জনাব ফজলুল হক-এর নগদ ২০,০০,০০০/- (বিশ লক্ষ) টাকা অজ্ঞাতনামা চোরেরা চুরি করে নিয়ে যায়। এ ঘটনায় সদর থানার মামলা নং-২৫, তাং-১৩/০২/২৬ খ্রিঃ, ধারা ৪৫৪/৩৮০ (দণ্ডবিধি-১৮৬০) অনুযায়ী মামলা রুজু করা হয়। মামলা রুজুর পরপরই পুলিশ সুপার গোপালগঞ্জের দিকনির্দেশনায় গোপালগঞ্জ জেলা গোয়েন্দা পুলিশ অভিযান শুরু করে। জেলা গোয়েন্দা শাখার অফিসার ইনচার্জের তত্ত্বাবধানে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই (নিঃ) মোঃ হাসানুর রহমান সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ, তথ্য প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহার এবং ধারাবাহিক গোয়েন্দা নজরদারির মাধ্যমে ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের সনাক্ত করতে সক্ষম হন।
এরই ধারাবাহিকতায় খুলনা জেলার দিঘলিয়া থানা এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয় মোঃ টিটন খান (৩৬) মোঃ ইউনুস শেখ (৪৭) গ্রেফতারের সময় আসামীদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয় চোরাই নগদ ২৭,০০০/- টাকা চোরাই ১৬,৩৮,০০০/- টাকা দিয়ে ক্রয়কৃত জমির দলিলের রশিদ চুরির কাজে ব্যবহৃত সুজুকি ব্র্যান্ডের কালো রঙের ১৫৫ সিসি মোটরসাইকেল প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, গ্রেফতারকৃতরা একটি পেশাদার চোর চক্রের সক্রিয় সদস্য। তাদের বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন জেলার বিভিন্ন থানায় মোট ১৫টি মামলা বিচারাধীন রয়েছে। গোপালগঞ্জ জেলা পুলিশের এই সফল অভিযান জনমনে স্বস্তি ফিরিয়েছে এবং অপরাধ দমনে পুলিশের পেশাদারিত্ব ও প্রযুক্তিনির্ভর তৎপরতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।



সংবাদের আলো বাংলাদেশ সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।