ভূঞাপুরে ভোট চাইতে গিয়ে গৃহবধূকে শ্লীলতাহানি ও ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ
সংবাদের আলো ডেস্ক: টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে ভোট চাইতে গিয়ে এক গৃহবধূকে শ্লীলতাহানি ও ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের চার ব্যক্তির বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় টাঙ্গাইল যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ আদালতে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) সকালে উপজেলার মেঘার পটল গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী গৃহবধূর স্বামী আদালতে অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযুক্তরা হলেন একই এলাকার ইব্রাহীমের ছেলে শহিদুল (৩০), মৃত আনোয়ার হোসেনের ছেলে সোহেল (২৫), আলী আকবর মুন্সির ছেলে এনামুল (৩২) এবং আকবর ফকিরের ছেলে আল আমিন (৩০)।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, সোমবার সকালে মেঘার পটল গ্রামের নাজমুলের বাড়িতে ভোট চাইতে যান শহিদুলসহ চারজন। সে সময় নাজমুল বাড়িতে নেই জানিয়ে গৃহবধূ তাদের চলে যেতে বলেন। তবে অভিযোগে বলা হয়েছে, অভিযুক্তরা তাকে ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীকে ভোট দিতে চাপ দেন।
গৃহবধূ জানিয়ে দেন, তিনি ভোটার নন এবং তার পরিবারের সদস্যরা ‘ধানের শীষ’ প্রতীকে ভোট দেবেন। এতে অভিযুক্তরা ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন। অভিযোগ অনুযায়ী, শহিদুল নামের একজন হঠাৎ গৃহবধূকে জড়িয়ে ধরে শরীরের স্পর্শকাতর স্থানে হাত দেন। অন্যরা তার কাপড় খুলে ফেলার চেষ্টা করে এবং দলবদ্ধভাবে ধর্ষণের চেষ্টা চালায়।
ভুক্তভোগী চিৎকার শুরু করলে আশপাশের লোকজন ছুটে এলে অভিযুক্তরা পালিয়ে যায়। যাওয়ার সময় ঘটনা প্রকাশ করলে পরে এসে তুলে নিয়ে নির্যাতনের হুমকি দেওয়ার কথাও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
এ ঘটনার পর এলাকায় ক্ষোভ ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। স্থানীয়দের মতে, ভোটের নামে এ ধরনের ন্যক্কারজনক ঘটনা নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে এবং নারীদের নিরাপত্তা নিয়ে গভীর উদ্বেগ তৈরি করছে।
এ বিষয়ে উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির আব্দুল্লাহ আল মামুন অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ঘটনাটি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট।
অন্যদিকে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মেমরাজুল ইসলাম রুবেল বলেন, অভিযোগ গ্রহণ করা হয়েছে এবং বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি জানান।



সংবাদের আলো বাংলাদেশ সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।