মা-মেয়েকে হত্যার পর যমুনায় ফেলে দিল প্রেমিক!
মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি: মা-মেয়েকে গলা টিপে শ্বাসরোধ করে হত্যার পর বস্তায় ভরে যমুনা নদীতে ফেলে দেওয়ার অপরাধে সুজন নামে এক প্রবাসী যুবককে গ্রেফতার করা হয়েছে।
শনিবার (১ নভেম্বর) বিকেলে মানিকগঞ্জ পুলিশ সুপার মোছা: ইয়াছমিন খাতুন প্রেস ব্রিফিং এই তথ্য নিশ্চিত করেন।
গ্রেফতারকৃত যুবক সুজনের স্বীকারোক্তি মূলক জবানবন্দীর বরাত দিয়ে সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, গত ২৩ অক্টোবর রাতে শিবালয় উপজেলার সাতুরিয়া গ্রামের সাঈদ শেখের পুত্র সুজন নামে এক প্রবাস ফেরত যুবক একই গ্রামের আব্দুর রাজ্জাকের স্ত্রী বৃষ্টি আক্তার ও তার মেয়ে মরিয়মকে গলা টিপে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে।
এ বিষয়ে অভিযোগ পাওয়ার পর পরই অভিযানে নামে পুলিশ সহ সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। রেপিড অ্যাকশন ব্যাটেলিয়ানের সহযোগিতায় পার্শ্ববর্তী টাঙ্গাইল জেলা থেকে সুজনকে গ্রেফতার করে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
পুলিশ ও বিজ্ঞ আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতে সুজন বলেন, আমি অক্টোবর মাসে ৩ তারিখে সৌদি আরব থেকে দেশে ফিরি। দেশে আসার পর বিয়ের দিন তারিখ ধার্য হয়। এই খবর পেয়ে আমার পরকীয়া প্রেমিকা বৃষ্টি মোবাইল ফোনে আমাকে বিয়ের জন্য চাপ দিতে থাকে। এক পর্যায় নদীপাড়ের একটি পেয়ারা বাগানে তিন বছরের কন্যা মরিয়মকে সাথে নিয়ে আমার সাথে দেখা করতে আসে। বৃষ্টি আমাকে বারবার উত্তেজিত হয়ে বিয়ের জন্য চাপ দিতে থাকে। বিয়ে না করলে সে আমার বাড়ি চলে আসবে বলে হুমকি দেয়।
আমি রাগান্বিত হয়ে প্রথমে বৃষ্টিকে ও পরে তার শিশু কন্যাকে গলা টিপে হত্যা করি।হত্যার পর বৃষ্টিকে বস্তায় ভরে যমুনায় ফেলে দেই। শিশুর লাশ নদীর পাড়ে রেখে আসি। বৃষ্টির লাশ ফরিদপুর জেলার পদ্মা নদী থেকে উদ্ধার করা হয়। শিশুর লাশ হত্যার পরদিন নদীর পাড় থেকে উদ্ধার করে গ্রামবাসী।



সংবাদের আলো বাংলাদেশ সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।