রবিবার, ৮ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

শিরোনাম

সীতাকুন্ডে পরিমাপের নামে প্রহসন, বার বার সমঝোতার নামে স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেওয়ার চেষ্টা 

স্টাফ রিপোর্টার: চট্টগ্রামের সীতাকুন্ড উপজেলার ৪ নং মুরাদপুর ইউনিয়নের  ফকির হাট দেওয়ান ভূঁইয়া বাড়ীর মৃত মালিউল হকের ৪র্থ ছেলে মুহাম্মদ শামীম উদ্দিন পুরনো বসত ঘর ভেঙ্গে ৩ শতক জায়গায় পাকা ঘর নিমার্ণ করতে গেলে ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে  নিমার্ণে বাধা সৃষ্টি করেছিল এখন থেকে ৫ বছর পূর্বে একই বাড়ীর মৃত মোস্তফা কামালের মেয়ে ও ক্ষমতাসীন নাতীরা।

৫ আগষ্ট’২৪ এ আওয়ামী সরকারের পতনের দীর্ঘ দিন পরে শামীম উদ্দিন গত ৩১অক্টোবর’২৫ এ পুনরায় ঘরের কাজ শুরু করলে আবারও একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটে।অর্থাৎ বোল পাল্টিয়ে বাদ সাজে মৃত মোস্তফা কামালের মেয়ে ও তার নাতীরা। কিন্তু এবার আর ঘর নির্মাণের কাজ থেমে নাই। গত ৪ অক্টোবর(মঙ্গলবার)সকাল ১০ টার দিকে একই বাড়িতে একই দাগে  বসবাসরত কাউকে না জানিয়ে নিজেদের পরিমাপক দ্বারা প্রহসন মূলক পরিমাপ করে জায়গা কম আছে বলে সমঝোতার নামে ষ্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেওয়ার জন্য আওরঙ্গজেব কে ডেকে এনে চাপ সৃষ্টি করে।

ঘটনার বিবরণে প্রকাশ,বিগত ৩৮ বছর পূর্বে মুহাম্মদ শামীম উদ্দিন এর পিতা মৃত মালিউল হক একই বাড়ীর মোহাম্মদ আওরঙ্গজেব এর পিতা মৃত ফছিউল আলমের কাছ থেকে ৩ শতক জায়গা কিনে একটি টিন শেডের কাঁচা ঘর তৈরি করে বসবাস করে আসছিল। এখন থেকে প্রায় ৫ বছর পূর্বে শামীম উদ্দিন ঐ কাঁচা ঘর ভেঙ্গে উক্ত জায়গায় একটি পাঁকা ঘর নিমার্ণ করতে গেলে মৃত ফছিউল আলমের বড় ভাই মৃত মোস্তফা কামালের মেয়ে সাজেদা খানম,জাহেদা খানম ও নাাতিরা ঐ সময় ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে ঐ স্থানে জায়গা পাবে বলে ঘর নির্মাণ কাজ বন্ধ করে দেয়।

এ নিয়ে গত ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারীতে এলাকার গণ্য মান্য ব্যাক্তি বর্গের উপস্থিতিতে বাড়ি ও থানাতে একাধিক বৈঠক হয়। যার কোন সমাধান  হয়নি।কথা একটাই বিচার মানি তাল গাছ আামাদের হতে হবে।অর্থাৎ মৃত মোস্তফা কামালের মেয়ে সাজেদা খানম ও নাাতিরা(সাজেদা খানমের ছেলেরা)বলেন শামিম উদ্দিনের ঘর করতে হলে মৃত ফছিউল আলমের ছেলেরা মৃত মোস্তফা কামালের কাছে কোন স্বত্ত পাবে না বলে ষ্ট্যাম্পে লিখিত দিতে হবে।

অন্যথায় তারা ঘর করতে দিবে না বলে সে সময় ঘরের কাজ বন্ধ করে দেয়।ফলে দীর্ঘ ৫ বছর ঘরের কাজ বন্ধ ছিল।বৈঠকে উপস্থিতিদের ঘুরে ফিরে একটাই কথা শামীম উদ্দিন এর ঘর করার  সাথে আওরঙ্গজেব তাদের(সাজেদা খানম গং)ষ্ট্যাম্পে স্বাক্ষর দেওয়ার কোন যৌক্তিকতা ও কারণ খুজে পায়না এছাড়াও আওরঙ্গজেবের এখানে কোন বিষয়ে সম্পৃক্ততা আমরা দেখছি না সুতরাং তার থেকে জোর করে স্বাক্ষর নেওয়ার বিষয়টি নীতি পরিপন্থি ও গহির্ত কাজ বলে ঐ সময় বৈঠকে উপস্হিতিরা মন্তব্য করেন।

এ বিষয়ে এলাকার সচেতন মহল ও বৈঠকে উপস্থিত গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গরা মনে করছেন, আওরঙ্গজেবের এখানে কোন বিষয় বা এ ঘটনার সাথে কোন সম্পর্ক নাই।বৈঠকের নামে এটা একটা প্রহসন মাত্র।সমঝোতার নামে সু-কৌশলে ক্ষামতার প্রভাব খাঁটিয়  স্বাক্ষর নেওয়ার পঁয়তারা।কারণ আওরঙ্গজেব এর পিতারা ৩ ভাই মোস্তফা কামাল,শাহ আলম ও ফছিউল আলম সর্ব পিং- মরহুম আব্দুস সাত্তার।

আঃসাত্তারের সম্পত্তি ৩ ছেলের মধ্যে সে সময়(প্রায় ৬০ বছর পূর্বে আওরঙ্গজেবের দাদার সময়) মৌখিক ভাবে বন্টন হয় এবং সে ভাবে ছেলেরা ও তাদের ওয়ারিশরা শান্তিপূর্ণ ভাবে ভোগ দখল ও প্রয়োজনে বেচা বিক্রি করে আসছে কেউ কারো বাধার কারণ হয়নি। হঠাৎ করে প্রতিবেশীর ঘর নির্মাণে বাধা সৃষ্টি করে কোন প্রকার পূর্ব  আলাপ আলোচনা ও নিজেদের মধ্যে সম্পত্তির বন্টন নামা ছাড়া ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে মোস্তফা কামালের মেয়ে ও নাতিরা জোর করে কোন স্বত্ব পাবে না বা দাবি নাই মর্মে আওরঙ্গজেব থেকে  স্ট্যাম্প নিতে উঠে পড়ে লেগেছ।ব্যাপার টা কারো বোধগম্য নয়।

প্রায় ৫বছর পরে শামীম উদ্দিন পুনরায়  ঘরের কাজ শুরু করলে ৪ অক্টোবর’২৫  একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটে। এখানে উল্লেখ্য,আওরঙ্গজেবের পিতারা ৩ ভাই মোস্তফা কামাল,শাহ আলম ও ফছিউল আলম।মোস্তফা কামালের কোন ছেলে নাই দুই মেয়ে।সে হিসেবে তার সম্পত্তির ভাগ অন্য দুই ভাইয়ের সন্তানরা পেতে পারে।

একারনে মোস্তফা কামালের নাতিরা নতুন করে বোল পাল্টিয়ে প্রভাব খাটিয়ে ওদের কে সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত করার জন্য এ কাজটা করছেন বলে এলাকার লোকজন মনে করছেন। এ ঘটনায় মানসিক ভাবে বিপর্যস্ত,নিরাপত্তা হীনতা ও ষড়যেন্ত্রের আশঙ্কা করে  আওরঙ্গজেব এর পক্ষ থেকে  প্রশাসনের আশু-দৃষ্টি কামনা করছেন। দ

সংবাদের আলো বাংলাদেশ সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

এই সপ্তাহের পাঠকপ্রিয়