কালভার্ট আছে, মাটি নেই ভোগান্তিতে হাজার মানুষের
খাইরুল ইসলাম, কামারখন্দ (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি: কালভার্ট আছে, কিন্তু সংযোগ সড়কে মাটি নেই। ফলে সেটি ব্যবহারযোগ্য না হয়ে উল্টো দুর্ভোগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ উপজেলার রসুলপুর গ্রামে এমন একটি ছোট কালভার্ট ঘিরে প্রতিদিন ভোগান্তি পোহাচ্ছেন প্রায় আড়াই থেকে ৩ হাজার মানুষের।
শনিবার সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, উপজেলার রসুলপুর কেন্দ্রীয় কবরস্থান ও মাদ্রাসা সংলগ্ন স্থানে নির্মিত কালভার্টটির দুই পাশে সংযোগ সড়কে মাটির কাজ হয়নি। এতে করে কালভার্টটি কার্যত অচল অবস্থায় পড়ে আছে।
স্থানীয়দের ভাষ্য, ২০১৭-১৮ অর্থবছরে প্রায় ২ লাখ ৬২ হাজার টাকা ব্যয়ে কালভার্টটি নির্মাণ করা হলেও প্রয়োজনীয় মাটির কাজ না হওয়ায় কাঙ্ক্ষিত সুফল মিলেনি।
এই সড়ক দিয়ে প্রতিদিন রসুলপুর আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, কবরস্থানে যাতায়াতকারী মানুষ, মাদ্রাসা ও মসজিদের মুসল্লিসহ অন্তত ২০০ পরিবারের বাসিন্দারা চলাচল করেন। তবে বর্ষা মৌসুম এলেই দুর্ভোগ চরমে পৌঁছে।
রসলপুর গ্রামের আবু তালহা বলেন, এই পথ দিয়ে কবরস্থানে যাওয়া, স্কুলে যাওয়া সবই করতে হয়। কিন্তু কালভার্টে মাটি না থাকায় চলাচল খুব কষ্টকর। বিশেষ করে বৃষ্টির দিনে অবস্থা আরও খারাপ হয়। মৃত ব্যক্তিকে নিয়ে যাওয়ার সময়ও অনেক সমস্যায় পড়তে হয়। যদি কালভার্টসহ প্রায় ১৫০ ফুট মাটির কাজ করা হয়, তাহলে সবার জন্যই সুবিধা হবে।
একই এলাকার আরেক বাসিন্দা আব্দুস সালাম বলেন, প্রতিদিনই এই পথ ব্যবহার করি। শুকনা সময়েও কষ্ট হয়, আর বৃষ্টি বা বন্যার সময় তো চলাচল প্রায় অসম্ভব হয়ে যায়। দ্রুত কাজটা শেষ করা দরকার।
স্থানীয় এক শিক্ষার্থী জানায়, বর্ষার সময়ে স্কুলে যেতে তাদের সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়তে হয়। পিচ্ছিল ও ভাঙা রাস্তা পেরিয়ে যেতে গিয়ে অনেক সময় দেরিও হয়ে যায়।
এ বিষয়ে রায়দৌলতপুর ইউনিয়ন পরিষদের ১ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো.হায়দার আলী সাংবাদিক কে বলেন, আওয়ামীলীগের আমলে বেশ কয়েকবারে রাস্তাটি মাপা হয়েছিল কিন্তু কাজ হয়নি। আর রাস্তাটি করতেও বড় বাজেট লাগবে আমরা ইউনিয়ন পরিষদ থেকে সেই বাজেট পাইনি। এছাড়া পাশের জমির ব্যক্তিরাও বাধা দেয় সব মিলিয়েই কাজটি হচ্ছে না। তবে আমরা চেষ্টা করছি এখানে একটা বাজেট আনার জন্য।
তিনি আরও বলেন, ওই কালভার্ট দিয়ে গ্রামের প্রায় আড়াই থেকে ৩ হাজার মানুষ চলাচল করে।
কামারখন্দ উপজেলা প্রকৌশলী আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, ওইটা প্রকল্পের আওতায় আছে কিনা এটা আগে দেখতে হবে। এরপর আমরা বিষয়টি দেখবো।



সংবাদের আলো বাংলাদেশ সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।