আলফাডাঙ্গায় আমেরিকা প্রবাসী পরিবারের উদ্যোগে ঈদ উপহার বিতরণ ;প্রায় ২ হাজার মানুষের মাঝে শাড়ি-লুঙ্গি, ৫ টি মাদ্রাসা ও এতিমখানায় নগদ সহায়তা প্রদান
আলমগীর কবির, (ফরিদপুর) প্রতিনিধি: ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলায় পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে আমেরিকা প্রবাসী এক পরিবারের উদ্যোগে প্রায় দুই হাজার হতদরিদ্র ও অসহায় মানুষের মাঝে শাড়ি ও লুঙ্গি বিতরণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে উপজেলার পাঁচটি মাদ্রাসা ও এতিমখানায় জাকাতের অর্থ হিসেবে নগদ সহায়তাও প্রদান করা হয়েছে।
মানবিক এই উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন আলফাডাঙ্গা উপজেলার শুকুরহাটা গ্রামের আমেরিকা প্রবাসী বিশিষ্ট সমাজসেবক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব সোলায়মান আহমেদের পরিবার। আমেরিকা প্রবাসী তাঁর পুত্র মারুফ আহমেদ ও পুত্রবধূ জিয়ান মারুফের উদ্যোগে উপজেলার বিভিন্ন এলাকার দরিদ্র নারী-পুরুষের মাঝে এসব ঈদ উপহার বিতরণ করা হয়।
বিতরণ কার্যক্রমে অসহায় মানুষের হাতে শাড়ি ও লুঙ্গি তুলে দেওয়া হয়, যাতে তারা ঈদের আনন্দে অংশ নিতে পারেন। এ সময় স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গও উপস্থিত ছিলেন।
এছাড়াও উপজেলার পাঁচটি মাদ্রাসা ও এতিমখানায় নগদ অর্থ সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে আলফাডাঙ্গা সেকেন্দার আলী মাদ্রাসা ও এতিমখানা, মিঠাপুর গোরস্থান মাদ্রাসা ও এতিমখানা, বাঁকাইল মাদ্রাসা ও এতিমখানা, ইছাপাশা মাদ্রাসা ও এতিমখানা এবং জাটিগ্রাম পূর্বপাড়া মাদ্রাসা ও এতিমখানা।
সংশ্লিষ্ট মাদ্রাসা ও এতিমখানার কর্তৃপক্ষ এই সহায়তার জন্য আমেরিকা প্রবাসী সোলায়মান আহমেদের পরিবারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।
উপকারভোগীরা জানান, ঈদের আগে এমন সহায়তা পেয়ে তারা খুবই আনন্দিত ও উপকৃত হয়েছেন।
উদ্যোক্তারা বলেন, সমাজের অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানো প্রত্যেকের মানবিক দায়িত্ব। ভবিষ্যতেও এ ধরনের সামাজিক ও মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত রাখার আশাবাদ ব্যক্ত করেন তারা।
এ বিষয়ে সোলায়মান আহমেদ জানান, ঈদুল ফিতরের দিন পর্যন্ত পর্যায়ক্রমে শাড়ি ও লুঙ্গি বিতরণ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
এ বিতরণী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, সোলাইমান আহমেদ এর ছোট ভাই ওমর আলী, ভাতিজা ফিরোজ আহমেদ ডাবলু, আরিফুজ্জামান বাচ্চু সহ স্থানীয় ব্যক্তিবর্গ।



সংবাদের আলো বাংলাদেশ সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।