ঘরে বসেই মেট্রোরেলের কার্ড রিচার্জ করা যাবে ২৫ নভেম্বর থেকে
সংবাদের আলো ডেস্ক: মেট্রোরেলের স্থায়ী কার্ড রিচার্জ করতে আর স্টেশনে যেতে হবে না। ঘরে বসেই কার্ডে টাকা ভরা যাবে (রিচার্জ)। ব্যাংকের ক্রেডিট কার্ড, বিকাশ, নগদ, রকেটসহ সব ধরনের অনলাইন ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে রিচার্জ করা যাবে। এ সেবা চালু হতে যাচ্ছে ২৫ নভেম্বর।
প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী (সড়ক, সেতু ও রেল মন্ত্রণালয়) শেখ মইনউদ্দিন এ সেবার উদ্বোধন করবেন। শুরুতে ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষের (ডিটিসিএ) ওয়েবসাইটে থাকা লিংকে গিয়ে কার্ড রিচার্জ করা যাবে। আগামী মাসে একটি অ্যাপ চালু করা হবে। তখন অ্যাপের মাধ্যমে টাকা রিচার্জ করা যাবে। ডিটিসিএ সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
এ ব্যবস্থা চালু হলে স্টেশন কিংবা ব্যাংকের বুথে গিয়ে লাইনে দাঁড়িয়ে টাকা রিচার্জ করতে হবে না। তবে একক যাত্রার কার্ড অনলাইনে কেনা যাবে না। এ ধরনের কার্ড স্টেশনে গিয়েই কিনতে হবে।
ডিটিসিএ সূত্রে জানা গেছে, গত সোমবার মেট্রোরেলের স্টেশনগুলোতে এভিএম যন্ত্র বসানোর প্রস্তুতি শুরু হয়। প্রতিটি স্টেশনের দুটি প্রশস্ত স্থানে এ যন্ত্র বসানো হবে। ২১ ও ২২ নভেম্বর উত্তরা থেকে মতিঝিল পর্যন্ত ১৬টি স্টেশনে ৩২টি এভিএম যন্ত্র বসানো হবে। এটি চালু হলে স্টেশনে লাইন ধরে স্থায়ী কার্ড রিচার্জ করতে হবে না। যাত্রীদের সময় বেঁচে যাবে, ভোগান্তি কমবে।
মুঠোফোনে বিকাশ, নগদ বা রকেট অ্যাপ ব্যবহার করে এখন ঘরে বসেই মানুষ বিদ্যুৎ-ইন্টারনেটসহ বিভিন্ন বিল দিতে পারছেন। মেট্রোরেলের যাত্রীদের জন্য এ ব্যবস্থা চালুর দাবি ছিল শুরু থেকেই। এখন সে ব্যবস্থা মেট্রোরেলে যুক্ত করার উদ্যোগ নিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
বর্তমানে মেট্রোরেলে দুই ধরনের স্থায়ী কার্ড ব্যবহৃত হচ্ছে-র্যাপিড ও এমআরটি পাস। নতুন ব্যবস্থায় দুই ধরনের কার্ডই অনলাইন ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে ইচ্ছেমতো রিচার্জ করা যাবে।
তবে টাকা রিচার্জ করার পর গ্রাহককে তার স্থায়ী কার্ডটি একবার অন্তত স্টেশনে থাকা বিশেষ যন্ত্রে স্পর্শ করিয়ে হালনাগাদ করে নিতে হবে, যা অ্যাড ভ্যালু মেশিন (এভিএম) নামে পরিচিত।
অনলাইনে টাকা রিচার্জ করার পর একবার এই যন্ত্রে স্পর্শ করিয়ে নিলে টাকা শেষ না হওয়া পর্যন্ত আর স্পর্শ করতে হবে না। আবার টাকা রিচার্জ করার পর আবার স্পর্শ করাতে হবে।
ঢাকায় মেট্রোরেল নির্মাণ ও পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছে ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল)। তাদের নিজস্ব স্থায়ী কার্ডের নাম এমআরটি পাস।
অন্যদিকে ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষের (ডিটিসিএ) সরবরাহ করা স্থায়ী কার্ডের নাম র্যাপিড পাস। এটি মেট্রোরেল ছাড়াও বাস, ট্রেনসহ অন্যান্য গণপরিবহনে ব্যবহার করার কথা।
স্থায়ী কার্ডের লেনদেন নিয়ন্ত্রণের কেন্দ্র নিকাশ ঘর (ক্লিয়ারিং হাউস) ডিটিসিএর অধীন। তারা ঘরে বসে র্যাপিড ও এমআরটি পাস রিচার্জ করার কাজটি ‘ডেটা সফট’ নামের একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানকে দিয়েছে।



সংবাদের আলো বাংলাদেশ সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।