ট্রাম্পের কভারেজ বন্ধ করল মার্কিন টিভি নেটওয়ার্কগুলো
সংবাদের আলো ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের টেলিভিশন কভারেজ বন্ধ করে দিয়েছে দেশটির বড় কয়েকটি টিভি নেটওয়ার্ক। হোয়াইট হাউস থেকে সিএনএন, এমএস নাও ও পলিটিকোকে নিষিদ্ধ করার প্রতিবাদে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের বড় পাঁচটি টেলিভিশন নেটওয়ার্ক।
এর ফলে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্কে যাওয়া ট্রাম্পের সফরের যৌথ টিভি কভারেজও বন্ধ হয়ে গেছে। একই সময়ে হোয়াইট হাউসের নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করেছে ওই তিন সংবাদমাধ্যম।
সংবাদমাধ্যম টিআরটি ওয়ার্ল্ড বলছে, স্থানীয় সময় সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সিএনএন, এমএস নাও এবং পলিটিকো হোয়াইট হাউসের বিরুদ্ধে মামলা করেছে। এর আগে ট্রাম্প তাদের হোয়াইট হাউস থেকে নিষিদ্ধ করার নির্দেশ দিয়েছিলেন। এর কিছুক্ষণ পর এবিসি, সিবিএস, ফক্স, এনবিসি ও সিএনএন জানায়, সিএনএনের প্রতি সংহতি জানিয়ে তারা হোয়াইট হাউসের ‘পুল’ কভারেজে অংশ নেবে না।
সোমবার হোয়াইট হাউসের টেলিভিশন পুলে কভারেজের দায়িত্ব ছিল সিএনএনের। এই ব্যবস্থায় পালা করে একটি টেলিভিশন নেটওয়ার্ক প্রেসিডেন্টের অনুষ্ঠান ও সফরের ভিডিও ধারণ করে এবং সেই ফুটেজ অন্য টেলিভিশন চ্যানেলগুলোকেও সরবরাহ করে।
এদিকে এই সিদ্ধান্তের ফলে সোমবার জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্কে ট্রাম্পের সফরের কোনো যৌথ টেলিভিশন কভারেজ থাকছে না। নিউইয়র্কে তার বেশ কয়েকজন বিশ্বনেতার সঙ্গে বৈঠক করার কথা রয়েছে।
অবশ্য সমালোচনা সত্ত্বেও সংবাদমাধ্যমগুলোর প্রবেশাধিকার সীমিত করার সিদ্ধান্তের পক্ষেই অবস্থান নিয়েছে হোয়াইট হাউস। ট্রাম্প বলেছেন, হোয়াইট হাউস মুক্ত গণমাধ্যমের বিরুদ্ধে কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছে না। তবে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়া হবে কি না, সে বিষয়ে তিনি কিছু বলেননি।
ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্প লিখেছেন, ‘হোয়াইট হাউস মুক্ত গণমাধ্যমের ওপর হামলা চালাচ্ছে না। এটাকে আমি শ্রদ্ধা করি’। তিনি আরও বলেন, ‘বরং হোয়াইট হাউস ‘ফেক নিউজের’ বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিচ্ছে। এটা আমাদের প্রিয় যুক্তরাষ্ট্রে ক্যানসারের মতো ছড়িয়ে পড়েছে।’



সংবাদের আলো বাংলাদেশ সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।