সংকট মোকাবিলায় ইসরায়েলের সহযোগিতা চায় সৌদি আরব
সংবাদের আলো ডেস্ক: ইয়েমেনের ইরান সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠী হুতিকে প্রতিহত করতে ইসরায়েলের সঙ্গে আলোচনা করছে সৌদি আরব। আর এই আলোচনার মধ্যস্থতায় রয়েছে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম)। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) জেরুজালেম পোস্টকে এক আঞ্চলিক কূটনীতিক এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে জেরুজালেম পোস্টের সহযোগী সংবাদমাধ্যম ওয়ালা মধ্যপ্রাচ্যের কূটনৈতিক সূত্রের বরাতে এ বিষয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছিল। আলোচনা সম্পর্কে অবগত একটি সূত্র জেরুজালেম পোস্টকে জানিয়েছে, ‘আলোচনাগুলো ফলপ্রসূ হয়েছে।’ প্রতিবেদনে বলা হয়, এই আলোচনার আগে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্টকম প্রধান অ্যাডমিরাল ব্র্যাড কুপারের সঙ্গে সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান এবং অন্যান্য সৌদি কর্মকর্তাদের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
গত এক সপ্তাহে সৌদি সরকারের ওপর হুতির হামলা বেড়েছে। এর মধ্যে রয়েছে তেল পাইপলাইন ও পাম্পিং স্থাপনায় ড্রোন হামলা, যার ফলে প্রধান পাইপলাইনের কার্যক্রম আংশিকভাবে বন্ধ হয়ে যায়। এছাড়া ইয়েমেন-সৌদি আরব সীমান্তের কাছে একটি মসজিদ ও পার্শ্ববর্তী ভবনে অবস্থানরত সৌদি বেসামরিক নাগরিকদের ওপরও হামলা চালিয়েছে হুতি।
বাব এল-মানদেব প্রণালি ও এর আশেপাশের সমুদ্রপথে নৌ চলাচল সুরক্ষিত রাখা এবং তেল অবকাঠামো রক্ষায় সৌদি আরব যুক্তরাজ্যের কাছেও সহায়তার আবেদন জানিয়েছে বলে ব্লুমবার্গের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
সম্প্রতি পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ ‘মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তিকে’ রক্ষাত্মক ব্যবস্থা হিসেবে অভিহিত করে জানান, এটি অন্য দেশে আক্রমণের সুযোগ দেয় না, যা পূর্বের ‘ইসলামিক ন্যাটো’ ধারণার বিপরীত। এতে সৌদি আরবের পক্ষে পাকিস্তানের সামরিক অংশগ্রহণের স্পষ্টতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক সম্পর্ক না থাকলেও ইরান ও তার মিত্রদের হুমকির মুখে সৌদি-ইসরায়েল নিরাপত্তা সমন্বয় আরও দৃশ্যমান হচ্ছে। তবে সৌদি আরবের বেসামরিক পারমাণবিক কর্মসূচি এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের স্বাভাবিকীকরণ শর্তাবলীকে কেন্দ্র করে দুদেশের আলোচনায় অন্যান্য রাজনৈতিক সমীকরণও যুক্ত রয়েছে।



সংবাদের আলো বাংলাদেশ সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।