বৃহস্পতিবার, ২১শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

শিরোনাম

তারেক রহমান কমিটমেন্ট দিয়েছেন, ঠাকুরগাঁওয়ে এয়ারপোর্ট হবেই: বিমানমন্ত্রী

সংবাদের আলো ডেস্ক: বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা বলেছেন, দীর্ঘ ১৭ বছরের দুঃশাসন থেকে আমরা বেড়িয়ে আসছি। আমরা এখন কথা বলতে পারছি, নিজের ইচ্ছাগুলো প্রকাশ করতে পারছি। সবকিছুর মূলেই ছিলেন আমাদের নেতা জনাব তারেক রহমান। তার বলিষ্ঠ নেতৃত্বে আজকে বিএনপি সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। তারেক রহমান আপনাদের কাছে কমিটমেন্ট দিয়ে গেছেন এয়ারপোর্ট করবেন, সেখানে আর কোনো প্রশ্ন থাকে না।

তিনি বলেন, আমি মনে করি আজকে আমরা যারা স্টেজে বসে আছি, তার কৃতিত্ব আপনাদের। কারণ আপনাদের ভালোবাসা, আপনাদের আন্তরিকতা এবং আপনাদের মূল্যবান একটা ভোট আজকে আমাদের এখানে দাঁড় করিয়েছে। সবকিছুর মূলেই আপনারা। তাই আমাদের প্রথম কাজগুলো হবে, যে কমিটমেন্টগুলো আমরা আপনাদের দিয়েছি এগুলো পূরণ করা।

বুধবার (২০ মে) দুপুরে ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপির আয়োজনে সদর উপজেলার শীবগঞ্জ এলাকার-সংলগ্ন পরিত্যক্ত বিমানবন্দরে এক সংবর্ধনায় তিনি এসব কথা বলেন।

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী বলেন, আপনারা দেখেছেন তিন মাস আমাদের সরকারের বয়স চলছে। এরমধ্যে আবার দেখেছেন, প্রধানমন্ত্রী কীভাবে সাধারণ মানুষের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন। কৃষি কার্ড দিয়েছেন, ফ্যামিলি কার্ড দিয়েছেন। পর্যায়ক্রমে এলাকার মানুষের জীবনমান উন্নয়নে তিনি দিন-রাত কাজ করে যাচ্ছেন। আমাদের একটাই লক্ষ্য আমরা প্রধানমন্ত্রীকে অনুসরণ করবো। আমরা তার মুখের ভাষা বুঝতে পারি, ওনি দেশকে যে ভালোবাসে সেটা বুঝতে পারি। তার দেশ প্রেমটা যদি আমরা হৃদয়ে ধারণ করতে পারি তাহলে এই বাংলাদেশ সোনার বাংলাদেশ হতে সময় লাগবে না।

দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, আমি আপনাদের কাছে বিনীত অনুরোধ করবো। আমরা যেন এমন কোনো কাজকর্ম না করি যাতে দলে সুনাম নষ্ট হয়। আমাদের অনেক কষ্টের দল। যারা এখানে আছেন এমন কোনো ব্যক্তি নাই যে, জেলে যাই নাই, আসামি হয় নাই। ঘরে ঘুমাতে পারেন নাই। মা-বোনেরা সারাক্ষণ চিন্তা করেছেন আমার স্বামী কোথায় আছে? আমার ছেলে কোথায় আছে? কত মানুষ আমরা হারিয়ে ফেলেছি। এই কষ্টের বাংলাদেশ, এই বিএনপির বাংলাদেশ, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের বাংলাদেশ ও দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বাংলাদেশ এবং তারেক রহমানের স্বপ্নে গড়া বাংলাদেশ যেন আমরা হৃদয়ে ধারণ করি। আমরা সবাই মিলে একসঙ্গে ঐক্যবদ্ধভাবে এ দেশটাকে গড়ে তোলার জন্য কাজ করব, উন্নয়নের দেশ হিসেবে গড়ে তুলবো।

মন্ত্রী আরও বলেন, আপনারা বুঝতে পেরেছেন আজকে আমরা এখানে (ঠাকুরগাঁও) কেন এসেছি। প্রথমেই গিয়েছিলাম বগুড়া তারপর এখানে এসেছি। এখানে এসেছি আপনাদের যে চাওয়া-পাওয়া, যে স্বপ্নগুলো দেখছেন সেগুলো পূরণ করার জন্য। ইনশাল্লাহ, আমাদের সবার নিয়ত ভালো। আমরা দেশের মানুষের জন্য কাজ করতে চাই। জনগণের জন্য কাজ করতে চাই। আমাদের প্রধানমন্ত্রী চান জনগণের জন্য কাজ করা।

ঠাকুরগাঁও বিমানবন্দর প্রসঙ্গে আফরোজা খানম রিতা বলেন, যে স্বপ্ন আপনারা দেখছেন এখানে এয়ারপোর্ট হবে, ইনশাল্লাহ সেই এয়ারপোর্ট আমরা করব। তবে আপনাদের ধৈর্য ধরতে হবে। বলার সঙ্গে সঙ্গে হবে না একটু সময় দিতে হবে। এমনভাবে আমরা কাজ করব যে কিছুদিন পর এটা নষ্ট না হয়। আমরা চাই স্থায়ী বন্দোবস্ত করার জন্য। আপনাদের যোগাযোগ ব্যবস্থা যাতে ভালো হয়। আজকে ডিসি মহোদয় একটা কথা বলেছেন, এক প্রবাসী ভাই বলেছেন, যদি এয়ারপোর্টটা হয়ে যায় তাহলে তিনি ছয় মাস পর পর দেশে আসবেন। এখন তিনি দেশে আসেন না কারণ এখানে এয়ারপোর্ট নাই বলে। এটাও আমাদের জন্য একটা আনন্দের বিষয়।

তিনি বলেন, আমি ওয়াদা করে গেলাম। তারেক রহমানের নেতৃত্বে সেই ওয়াদা যেন রক্ষা করতে পারি, আমাদের জন্য দোয়া করবেন। আমি সময়টা দিলাম না তবে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব হয় সেটা করার আমরা চেষ্টা করব। এই বিশ্বাসটুকু রাখেন। সবকিছুর একটা কার্যপরিধি আছে, সেই পরিধিটার লম্বা সময়টাকে যত দ্রুত সময়ের মধ্যে এনে এয়ারপোর্ট চালু করার জন্য যা দরকার আমরা রাত-দিন পরিশ্রম করে সেই কাজটা করব এবং আমরা তারেক রহমানের নির্দেশে সে কাজটা করব।

সংবাদের আলো বাংলাদেশ সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

এই সপ্তাহের পাঠকপ্রিয়