বান্দরবানে স্বাস্থ্যসেবার প্রাথমিক প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে ৬৫ শিক্ষার্থীকে
আব্দুল আওয়াল আলিফ, বান্দরবান জেলা প্রতিনিধি: মায়ানমার সীমান্ত ঘেষা কেওক্রাডং পাহাড়ের পাদদেশে প্রত্যন্ত গ্রাম সুংসং পাড়া। সাম্প্রতিক সময়ে যোগাযোগ ব্যবস্থা থাকলেও এই গ্রামে নেই কোনো চিকিৎসা সেবা। এই গ্রাম ও আশেপাশের লোকজনদের বিপদ সঙ্কুল পাহাড়ি পথ পাড়ি দিয়ে রুমা সদরে গিয়ে চিকিৎসা নিতে হয়।
এরকম দুর্গম এলাকার অনেক গ্রামই আছে যেখানে চিকিৎসা নিতে গিয়ে লোকজনদের হিমশিম খেতে হয়। এমনো গ্রাম রয়েছে যেখানে একদিন পায়ে হেঁটে লোকজনদের চিকিৎসা নিতে যেতে হয় হাসপাতালে। এই সমস্যা দূর করতে বান্দরবানের রুমা উপজেলার চল্লিশটি পাড়ার ৬৫ জন শিক্ষার্থীকে দেয়া হয়েছে প্রাথমিক চিকিৎসা প্রশিক্ষণ।
সেনাবাহিনীর সহায়তায় তাদের দেয়া হয়েছে ফার্স্ট এইড বক্স সহ চিকিৎসা সরঞ্জাম এবং ওষুধ। এখন থেকে এসব শিক্ষার্থীরা পড়ালেখার পাশাপাশি তাদের নিজ গ্রামে লোকজনদের প্রাথমিক চিকিৎসা সেবা দিবে। সোমবার (১৬ মার্চ) সেনাবাহিনীর রুমা জোনে এসব শিক্ষার্থীদের হাতে ফার্স্ট এইড বক্স তুলে দেন জোনের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মেহেদী হাসান সরকার।
সংশ্লিষ্টরা জানান, প্রত্যন্ত এলাকার লোকজন যাতে চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত না হয় সেজন্য ৪০টি পাড়ার ৬৫ জন শিক্ষার্থীকে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবার প্রশিক্ষণ দিয়ে তৈরি করা হয়েছে। এখন থেকে তারা নিজ গ্রামে লোকজনদের চিকিৎসা সেবা দিবে। ফার্স্ট এইড বক্সে বিভিন্ন চিকিৎসা সরঞ্জাম রয়েছে এবং সেই সাথে তাদের ওষুধও দেয়া হয়েছে।
অন্ততপক্ষে প্রত্যন্ত এলাকায় তারা যাতে প্রাথমিক চিকিৎসা সেবাটি দিতে পারে। আগামীতে দুর্গম পাড়াগুলোতে প্রয়োজনীয় ওষুধের ফার্মেসিও গড়ে তোলার পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে।



সংবাদের আলো বাংলাদেশ সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।