,

শিরোনাম

গরু চুরির নতুন কৌশল: খামারেই জবাই, মাংস নিয়ে গেল চোরচক্র

পঙ্কজ সরকার নয়ন, কালীগঞ্জ (গাজীপুর) প্রতিনিধি: গাজীপুরের কালীগঞ্জে গরু চুরির কৌশলে নতুন মাত্রা যোগ করেছে চুরচক্র। রাতের আঁধারে খামারে ঢুকে আস্ত গরু নিয়ে যাওয়ার পরিবর্তে এবার খামারের ভেতরেই গরু জবাই করে চামড়া ও নাড়িভুঁড়ি ফেলে মাংস নিয়ে গেছে চোরচক্র।

বৃহস্পতিবার (০৮ অক্টবার) গভীর রাতে উপজেলার আড়িখোলা গ্রামের মোজাফর মোল্লার বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। এতে আতঙ্কের পাশাপাশি ক্ষতির মুখে পড়েছেন স্থানীয় গরু খামারি ও কৃষকরা।

খামারের মালিক রাসেদ মোল্লার স্ত্রী খাদিজা আক্তার বলেন, আমাদের অনেক বড় ক্ষতি হয়ে গেল। খামারে পাঁচটি গরু ছিল। এর মধ্যে একটি গরু জবাই করে মাংস নিয়ে গেছে চোরচক্র। গরুটির আনুমানিক মূল্য এক লাখ বিশ হাজার টাকা। এ ঘটনায় আমরা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।

যে খামারে ঢুকে গরু জবাই করে মাংস নিয়ে যেতে পারে, সেখানে গরু রক্ষায় কেউ এগিয়ে গেলে তার ওপর হামলা কিংবা প্রাণহানির আশঙ্কাও ছিল। নিজেদের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে তো আর গরু পাহারা দেওয়া সম্ভব নয়, দেশে অরাজকতা চলছে। আমরা এখন নিজেদের জানমাল নিয়ে উদ্বিগ্ন। তাই এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে জড়িত চোরচক্রকে দ্রুত শনাক্ত ও আইনের আওতায় আনার পাশাপাশি আমাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কালীগঞ্জে গরু চুরির এমন অভিনব কৌশল আগে কখনো দেখিনি। খামারে ঢুকে গরু জবাই করে মাংস নিয়ে যাওয়ার ঘটনা অত্যন্ত দুঃখজনক ও উদ্বেগজনক। সকালে খামারে গিয়ে গরু না পাওয়ার পরিবর্তে জবাই করা গরুর অবশিষ্টাংশ পড়ে থাকতে দেখা যাচ্ছে। গরু চুরির এ নতুন কৌশল ঠেকাতে রাতে পাহারা জোরদার, গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় নজরদারি বৃদ্ধি এবং সন্দেহজনক ব্যক্তিদের বিষয়ে দ্রুত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানানোর দাবি জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হলে গরু চুরির এ ধরনের ঘটনা নিয়ন্ত্রণে আসবে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

সংবাদের আলো বাংলাদেশ সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

এই সপ্তাহের পাঠকপ্রিয়