,

শিরোনাম

বেতন ও চাকরী পূর্ণ বহারের দাবিতে খামারবাড়িতে আউটসোর্সিং চালকদের অবস্থান কর্মসূচী

জহুরুল ইসলাম, স্টাফ রিপোর্টার: রাজধানীর খামারবাড়িতে চুক্তি বাতিল ও পূর্ণ বহালের দাবিতে মানববন্ধন ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের (ডিএই) আউটসোর্সিং পদ্ধতিতে নিয়োগপ্রাপ্ত গাড়িচালকরা। রবিবার (২৩ আগষ্ট) সকাল থেকে সারা দেশ থেকে আসা তারা খামারবাড়ি প্রাঙ্গণে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর উপজেলা পর্যায়ে আউটসোর্সিং গাড়ী চালক ঐক্য পরিষদের আয়োজনে অবস্থান নিয়ে কর্মসূচি পালন করেন এবং দ্রুত তাদের বকেয়া বেতন ও পুনর্বহালের দাবি জানান।

আন্দোলনকারীরা জানান, ডিএই-এর অধীনে আউটসোর্সিং পদ্ধতিতে নিয়োগপ্রাপ্ত ২৫৭ জন গাড়িচালকের চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ায় তারা হঠাৎ করেই চাকরি হারিয়েছেন। এর মধ্যে ১৫০ জন ২০১৩ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি এবং ১০৭ জন ২০১৯ সালের ২৩ এপ্রিল থেকে ঠিকাদারের মাধ্যমে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। সর্বশেষ নভেম্বর ও জানুয়ারিতে তাদের চুক্তির মেয়াদ শেষ হলেও পুনর্নিয়োগের কোনো উদ্যোগ না থাকায় তারা অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছেন।

বিক্ষোভে অংশ নেওয়া কর্মীরা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে স্বল্প বেতন, সীমিত সুযোগ-সুবিধার মধ্যেই তারা দায়িত্ব পালন করে এসেছেন। কিন্তু কোনো পূর্ব নোটিশ বা বিকল্প ব্যবস্থা ছাড়াই হঠাৎ চুক্তি বাতিল করায় তারা পরিবার-পরিজন নিয়ে মানবেতর অবস্থায় পড়েছেন।

মোস্তফা নামে এক চালক বলেন, ‘বছরের পর বছর কাজ করেও আমরা স্থায়ী হইনি। এখন আবার একেবারে কর্মহীন হয়ে পড়েছি।

আন্দোলনকারীরা অভিযোগ করেন, তাদের বকেয়া বেতন-ভাতা এখনও পরিশোধ করা হয়নি। দ্রুত পুনর্বহাল, পাওনা পরিশোধ এবং চাকরির স্থায়িত্ব নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ দাবি করেন তারা।

আন্দোলন পরিচালনা কমিটির আহব্বায়ক সুমন সরকার জানান, তাদের মধ্যে ২০১৩ সালে ও ২০১৯ সালে এএসডিপি ও উপজেলাপর্যায়ে প্রযুক্তি হস্তান্তরের জন্য কৃষক প্রশিক্ষণ এবং ফসল উৎপাদন বৃদ্ধি প্রকল্পের অধীনে নিয়োগ পান। দুই ধাপে তার মতো আউটসোর্সিং হিসেবে আড়াই শতাধিক গাড়িচালক নিয়োগ দেওয়া হয়। একেকজনের মাসিক বেতন নির্ধারণ করা হয় ১৭ হাজার ১২০ টাকা ও ওভারটাইম হিসেবে ৮ হাজার টাকা। পরে প্রকল্প শেষ হলে গাড়িগুলোয় রাজস্ব খাতে স্থানান্তর করা হলেও চালকদের আউটসোর্সিংয়েই রাখা হয়। কথা অনুযায়ী চালকদের পরে আর রাজস্ব খাতে নিয়োগ দেওয়া হয়নি। ২০২৫ সালের ৬ নভেম্বর থেকে কেউই আর বেতন পাননি। অথচ সবাই নিয়মিত ডিউটি করছেন।

সংবাদের আলো বাংলাদেশ সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

এই সপ্তাহের পাঠকপ্রিয়