‘বিএনপির বিরুদ্ধে কুৎসা রটাতে ‘প্রোপাগান্ডা বট’ তৈরি করা হয়েছে’
সংবাদের আলো ডেস্ক: প্রযুক্তির মাধ্যমে আজ ‘প্রোপাগান্ডা বট’ বলে একটা জিনিস তৈরি হয়েছে। এই প্রোপাগান্ডা বট দিয়ে মানুষের চরিত্রহনন, কুৎসা রটনা ও অপপ্রচারের যেন শেষ নেই। তবে অপপ্রচার আর মিথ্যা দিয়ে জাতীয়তাবাদী শক্তির শেকড় উপড়ে ফেলা যাবে না বলে জানিয়েছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।
বৃহস্পতিবার (০৫ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় শিল্পকলার চিত্রশালা মিলনায়তনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।
রুহুল কবির রিজভী বলেন, সামনে নির্বাচন। এই নির্বাচনটা আমাদেরকে একটা সংগ্রামের মতো বিজয় ঘটাতে হবে। কারণ চারিদিকে নানা চক্রান্ত, ষড়যন্ত্র, অপপ্রচার, মিথ্যাচার এবং আজ প্রযুক্তির মাধ্যমে প্রোপাগান্ডা বট বলে একটা জিনিস তৈরি হয়েছে।
তিনি বলেন, যারা গণতন্ত্রের জন্য আপসহীন সংগ্রাম করল, যারা গুপ্ত এবং সুপ্ত হয়ে আওয়ামী লীগের বোরখার নিচে থাকেনি, আওয়ামী লীগের আবরণের মধ্যে যারা থাকেনি, যারা সত্য এবং ন্যায়কে সুস্পষ্টভাবে রুদ্রালোকের মধ্যে যারা বলেছে, তাদের বিরুদ্ধে আজ কেন জানি মনে হচ্ছে সুপরিকল্পিতভাবে এক ধরনের মিথ্যা প্রোপাগান্ডা চালানোর চেষ্টা চালানো হচ্ছে।
বিএনপির এই সিনিয়র নেতা বলেন, জাতীয়তাবাদী শক্তির শেকড় এত গভীরে যে, একটা গাছ বা বটগাছের যে শেকড় যতদূরে যায়, তার চাইতেও অনেক গভীরের শেকড়। এই শেকড়কে অপপ্রচার দিয়ে মিথ্যার ঝলকানি দিয়ে এটিকে ঢেকে রাখা যাবে না। এটাকে নুইয়ে ফেলা যাবে না। এটা একেবারে সোজা মেরুদন্ড নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকবে।
তিনি নেতা বলেন, এই সমস্ত কুৎসা, অপপ্রচারের বিরুদ্ধে আমাদের কবি, সাহিত্যিক, শিল্পী, গীতিকার, অভিনয় শিল্পী, সুরকার যারা আছেন- সবাই মিলে আপনাদের সুললিত ধ্বনি, আপনাদের অত্যন্ত শক্তিশালী শব্দ সবগুলোকে ব্যবহার করে আমরা এই অপপ্রচারের যে কষাঘাত চলছে, সেটাকে আমরা পরাজিত করবো। আমরা সত্য, ন্যায় এবং ধানের শীষের নিশ্চিত বিজয় ঘটাতে সক্ষম হবো।
জাসাস নেতাকর্মীদের উদ্দেশে রিজভী বলেন, সবসময় বলেছি তোমাদেরকে মিছিল করতে হবে না। তোমাদের এই স্লোগান দেওয়ার দরকার নাই। তোমরা যারা এখানে আছো, তাদের অবশ্যই আমরা বুঝবো। জাসাসের প্রোগ্রামে এলেই বুঝবো, এখানে আমি কবিদের মাঝে এসেছি। এখানে আমি লেখকদের মাঝে এসেছি। এখানে আমি কন্ঠশিল্পীদের মাঝে এসেছি। এখানে গীতিকারদের মাঝে এসেছি এবং এই তাদের যে সান্নিধ্য, আমাকে আমার যে বর্তমান সাংস্কৃতিক অবস্থান, সে সাংস্কৃতিক অবস্থানকে পরিবর্তন করে দেয়। রুচির পরিবর্তন করে দেয়। এই সমস্ত ব্যক্তিদের সান্নিধ্যে থাকলে একজন মানুষের রুচির পরিবর্তন হতে পারে। তার যে ভাষা এবং শব্দ, তার কন্ঠের সুর, তার উদ্দীপনামূলক গান সবকিছুই একজন মানুষ সে যে সামাজিক অবস্থান থেকে উঠে আসে, সেই সামাজিক অবস্থানটার পরিপূর্ণ পরিবর্তন ঘটিয়ে তাকে একেবারে এক অসাধারণ উন্নত রুচিসম্পন্ন মানুষে পরিণত করতে পারে।



সংবাদের আলো বাংলাদেশ সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।