আলফাডাঙ্গায় ১১৯ কেজি ৫০০ গ্রাম ওজনের শতকোটি মূল্যের কষ্টিপাথরের মূর্তি উদ্ধার; গ্রেফতার-১
আলমগীর কবির,ফরিদপুর প্রতিনিধি: ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় র্যাব এর বিশেষ অভিযানে ১১৯ কেজি ৫০০ গ্রাম ওজনের একটি কষ্টিপাথরের মূর্তি উদ্ধার করেছে ফরিদপুর র্যাব-১০ এর একটি চৌকস টিম । গোপনে বিক্রি ও পাচারের উদ্দেশ্যে লুকিয়ে রাখা মূর্তিটি উদ্ধারের সময় সাদ্দাম শেখ (৩৫) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
রবিবার (১৮ জানুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে আলফাডাঙ্গা পৌর এলাকার বুড়াইচ গ্রামে এ অভিযান চালানো হয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-১০ ফরিদপুর ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার স্কোয়াড্রন লিডার তারিকুল ইসলামের নেতৃত্বে একটি আভিযানিক দল বুড়াইচ গ্রামের একটি পুকুরপাড়ে তল্লাশি চালায়। সেখানে লতাপাতা দিয়ে বিশেষভাবে ঢাকা অবস্থায় বিশাল আকৃতির এই কষ্টিপাথরের মূর্তিটি উদ্ধার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত সাদ্দাম শেখ আলফাডাঙ্গা পৌর সদরে বুড়াইচ গ্রামের আকবার শেখের ছেলে। তার বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন থানায় হত্যা, চুরি ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে অন্তত আটটি মামলা বিচারাধীন রয়েছে বলে জানা গেছে।
র্যাব-১০-এর কোম্পানি কমান্ডার স্কোয়াড্রন লিডার তারিকুল ইসলাম জানান, গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তি মূর্তিটি উচ্চমূল্যে বিক্রি ও পাচারের উদ্দেশ্যে লুকিয়ে রেখেছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে কষ্টিপাথরের মূর্তিটি উদ্ধার করা হয়েছে। একইসঙ্গে ঘটনার সাথে জড়িত থাকায় এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে মূর্তিটি বিক্রির পরিকল্পনার কথা স্বীকার করেছে। তার বিরুদ্ধে আলফাডাঙ্গা থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এ ধরনের মূর্তি আন্তর্জাতিক বাজারে কোটি কোটি টাকা মূল্যে বিক্রি হয়ে থাকে। যদিও বাংলাদেশে প্রত্নতত্ত্ব আইন অনুযায়ী, এই ধরনের প্রাচীন প্রত্নসম্পদ ব্যক্তিগত মালিকানায় রাখা বা কেনাবেচা দণ্ডনীয় অপরাধ। ফলে উদ্ধারকৃত মূর্তিটি রাষ্ট্রীয় হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।



সংবাদের আলো বাংলাদেশ সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।