মঙ্গলবার, ২৪শে মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

শিরোনাম

যমুনাসেতুর পূর্ব পাড়ে দর্শনার্থীদের ভিড়

আখতার হোসেন খান, ভ‚ঞাপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি: ঈদুল ফিতরের উৎসবকে ঘিরে যমুনা সেতুর পূর্বপাড়ে যমুনা নদীর তীরবর্তী এলাকায় ভ্রমণ বিলাসীদের ঢল নেমেছে। যমুনার নদীর সৌন্দর্য, নদীতে সূর্যাস্ত, যমুনা নদী, যমুনাসেতু ও যমুনা রেলসেতু  দু’টি দেখার জন্য হাজারো দর্শনাথীর ঢল ছিলো চোখে পড়ার মতো।

সরেজমিনে দেখা যায়, দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পরিবার পরিজন নিয়ে বেড়াতে আসা দর্শনার্থীরা  নৌকায় চড়ে যমুনা নদী, যমুনার চরের সৌন্দর্য, নদীতে সূর্যাস্ত, যমুনা সেতু ও যমুনা রেলসেতু উপভোগ করছেন। যমুনাসেতু ও যমুনা রেলসেতুর নিচ দিয়ে ঘুরতে পেরে আনন্দ উদ্বেলিত হয়েছে দর্শনার্থীরা। সেতু দু’টির নিচে গিয়ে আনন্দে হৈহৈ করছে, সেলফি তুলতে, ছবি তুলতে ব্যস্ত হয়ে পড়ছে তারা। 

এখানে ঘুরতে নিজ থেকে নৌকা বা ট্রলার ভাড়া করা যাবে। এতে ৩০০ টাকা থেকে ১ হাজার টাকা লাগতে পারে। আবার পাবলিক সার্ভিস নৌকা বা ট্রলারে ঘুরতে পারবেন, জনপ্রতি ৫০ টাকায়। তবে নিজ দায়িত্বে নৌকা ভাড়া করে সময় নিয়ে বিভিন্ন ডুবো চরে নামতে পারবেন খেলতে পারবেন হাডুডু, কাবাডি বা ফুটবল। 

এখানে ঘুরতে আসা দর্শনার্থীরা জানান, পরিবার পরিজন নিয়ে বেড়ানোর জন্য যমুনার পাড়ের এই জায়গাটি খুব সুন্দর। কম খরচেই নৌকা নিয়ে ইচ্ছে মতো বেড়ানো যায়্ উপভোগ করা যায় দু’টি সেতুর ও যমুনা নদীর সৌন্দর্য।

যমুনার তীরে ভূঞাপুর থেকে ঘুরতে আসা পলি আক্তার জানান, এখানে একটি ওয়াচ টাওয়ার নির্মাণ করা হলে নদী সেতু ও পরিবেশ দেখা হতো উপভোগ্য। টাঙ্গাইল শহর থেকে ঘুরতে আসা রুবেল জানান, এখানে গাড়ি পার্কিংয়ের সুব্যবস্থা নেই। ফলে যানজট লেগে থাকে। কালিহাতী থেকে ঘুরতে আসা মজনু মিয়া জানান, এখানে লক্ষাধিক মানুষের সমাগম হয়েছে। তবে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য সংখ্যা কম পরিলক্ষিত হয়েছে। তাছাড়া শৌচাগারের ব্যবস্থা না থাকায় ভ্রমণ পিপাসুদের সমস্যায় পড়তে হচ্ছে।

একে তো এটি কেপিআই এলাকা তার ওপরে সংখ্যায় কম হলেও পুলিশ দায়িত্ব নিয়ে কাজ করছে। 

 যমুনা নদী ও সেতু এলাকায় বেড়াতে আসা দর্শনার্থীদের জন্য সব ধরণের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। নৌপথ ও দর্শনার্থীদের যাতে কোনো ধরণের সমস্যায় পড়তে না হয়, সেই লক্ষ্যে কাজ করছে পুলিশ সদস্যরা।

 টাঙ্গাইলে দর্শনীয় স্থানগুলোর মধ্যে যমুনা নদী, যমুনা রেলসেতু  ও যমুনাসেতু এলাকা অন্যতম। এখানে একটি ওয়াচ টাওয়ার ও গণশৌচাগার নির্মাণের  দাবি দর্শনার্থীদের।

সংবাদের আলো বাংলাদেশ সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ