আলফাডাঙ্গায় যুবদল আহ্বায়কের ওপর হামলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন
আলমগীর কবির, আলফাডাঙ্গা (ফরিদপুর)প্রতিনিধি: ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক শাহীন মোল্লার উপর সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে এক সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভূক্তভোগী শাহীন মোল্লা । মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৬টায় গরানিয়াগ্রামের রাজনীতির মোড়ে তার ব্যক্তিগত কার্যালয়ে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
সংবাদ সম্মেলনে শাহীন মোল্লা অভিযোগ করেন, ২০ থেকে ২৫ জন দূষ্কৃতকারী আমার ওপর হামলা চালায়। এদের মধ্যে আমি কামরুজ্জামান দাউদ, কাইয়ুম ও রমজানকে চিনেছি। তারা বিএনপির কেউ না, আগে শাহ মোহাম্মদ আবু জাফরের নেতৃত্বাধীন বিএনএফ দলে ছিল। এখন বিএনপিতে ঢোকার চেষ্টা করছে।তিনি হামলাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন। তিনি বলেন, আজ দূপুরে আলফাডাঙ্গা থানার গোলঘরে একটি জমি সংক্রান্ত শালিসকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছিল বলে জানান তিনি। উক্ত হামলাকারীরা পূর্ব পরিকল্পিত ভাবে আমার উপর হামলা চালানো হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা কৃষক দলের আহ্বায়ক হাদী জিয়াউর রহমান সাবেক উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক লিয়াকত বিশ্বাস, উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মোহাম্মদ লিটন মোল্লা উপজেলা জিয়া সৈনিক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক সোহেল মোল্লা, বানা ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি খোকন মোল্লা, উপজেলা কৃষক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক সেলিম মোল্লা ও বিএনপি নেতা মিজানুর রহমান, ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য সিরাজুল ইসলাম , এছাড়া বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের একাধিক নেতাকর্মীও উপস্থিত ছিলেন।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত কামরুজ্জামান দাউদ বলেন, আমি যুবদলের সাবেক সহ-সাধারণ সম্পাদক, স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক এবং পৌর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ছিলাম। থানার গোলঘরে আমাদের গ্রামের জমি সংক্রান্ত সালিশ চলছিল। সেখানে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে শাহীন নিজেই লাঠি দিয়ে আমার মাথায় প্রথমে আঘাত করে।
ঘটনার বিষয়ে আলফাডাঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. শাহজালাল আলম বলেন, এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।



সংবাদের আলো বাংলাদেশ সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।