নওগাঁ-৬ আসন: ধানের শীষের কান্ডারী হতে চান ইঞ্জিনিয়ার মোঃ ফজলে রাব্বী রনি
নওগাঁ: নওগাঁ-৬ (আত্রাই-রানীনগর) আসনের জনগণের পাশে থেকে সেবা করতে চান ইঞ্জিনিয়ার মোঃ ফজলে রাব্বি রনি।
তিনি ১৯৮৬ সালে ৫ই ডিসেম্বর নওগাঁ জেলা আত্রাই উপজেলার ৮ নং হাটকালুপাড়া ইউনিয়নের পাহাড়পুরে জন্মগ্রহণ করেন।সরকারি চাকরিজীবী বাবার ৫ সন্তানের মধ্যে সে দ্বিতীয় সন্তান। বাবার সরকারি চাকরির সুবাদে শিশুকাল থেকেই নওগাঁ জেলা সদরে বড় হয়েছেন তিনি। নওগাঁ জেলার জনকল্যাণ পাড়ায় তার শৈশব জীবন কাটে। ২০০১ সালে তিনি নওগাঁ জেলা স্কুল থেকে এসএসসি পাস করেন। ইস্কুল জীবন থেকেই শহীদ জিয়া, খালেদা জিয়া তথা বিএমপির প্রতি আকৃষ্ট হন তিনি। সপ্তম শ্রেণী থেকেই ছাত্রদলের মিছিল-মিটিং এ অংশগ্রহণ করতেন।
সে সময় নওগাঁ জেলা বিএনপির বর্তমান সাধারণ সম্পাদক ও তৎকালীন ছাত্রদলের সভাপতি মামুনুর রহমান রিপনের সান্নিধ্যে আসেন এবং তার হাত ধরে রাজনীতিতে প্রবেশ করেন।
২০০১ সালে রাজশাহী নিউ গভঃ ডিগ্রী কলেজে একাদশ শ্রেনীতে ভর্তি হন এবং সেখানে ছাত্রদলের সদস্য পদের দায়িত্ব পালন করেন। ২০০৩ সালে কৃতিত্বের সাথে এইচএসসি পাস করেন। ২০০৪-২০০৫ রাজশাহী প্রকৌশলী ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় রুয়েটে ভর্তি হন।
রুয়েটে ভর্তি হওয়ার পর থেকেই তৎকালীন রুয়েট ছাত্রদলের সভাপতি মোঃ শফিক ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক কামাল হোসেনের সান্নিধ্যে আসেন এবং ছাত্রদলের একজন কর্মী হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন।
রাজশাহীতে তার রাজনৈতিক আইডল তৎকালীন মেয়র ও রাজশাহী -২ আসনের এমপি মিজানুর রহমান মিনু। এছাড়াও রাজশাহীতে তার ছাত্র রাজনীতির আইডল তৎকালীন মহানগর ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুর রহমান রিটনের সাথে তার অত্যান্ত ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে ওঠে ।রিটন তৎকালীন রাজশাহী মহানগর ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক পরবর্তীতে সভাপতি এবং কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সহ সভাপতি ছিলেন। বর্তমানে তিনি রাজশাহী মহানগর যুবদলের আহবায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন ওয়ান ইলেভেনের সময় যে সকল ছাত্র আন্দোলন হয়েছিল তার সবগুলোতেই তিনি ছিলেন সম্মুখ সারির যোদ্ধা।
২০০৭ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারিতে সাধারণ ছাত্রদের এক আন্দোলনের নেতৃত্ব দেওয়ায় তৎকালীন ফখরুদ্দিন মহিউদ্দিনের তল্পিবাহক প্রহসন তাকে রুয়েট থেকে বহিষ্কার করে এবং তার ছাত্রত্ব কেড়ে নেয়। পরবর্তীতে অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলে এপ্লাই করলে এক বছর পর তার বহিষ্কার স্থগিত হয় এবং ছাত্রত্ব ফেরত পান।
এরপরে ২০০৮ সালে ২৩শে ডিসেম্বর নির্বাচনের আগে ছাত্রলীগের সাথে সংঘর্ষে দুটি মামলার আসামি হন। সেই মামলা প্রায় এক যুগ ধরে চলে। ছাত্রলীগের লাগামহীন ও নিয়ন্ত্রণহীন আচরণের মধ্যেও ইঞ্জিনিয়ার ফজলে রাব্বি রনি নির্ভয়ে ক্যাম্পাস ওর রাজশাহী ছাত্রদলের সকল প্রোগ্রামে অংশগ্রহণ করতেন।
২০১০ সালে রুয়েট ছাত্রদলের যুগ্ন আহবায়কের দায়িত্ব পালন করেন। রুয়েট থেকে পাস করার পরে বিভিন্ন বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের চাকরি করেন এবং বিএনপি পন্থী প্রকৌশলীদের সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন অফ ইঞ্জিনিয়ারর্স বাংলাদেশ (এ্যাব) এর রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়েন। এ্যাব এর মহাসচিব হারুন-উর-রশিদ এবং সাংগঠনিক সম্পাদক একরামুল হকের নেতৃত্বে ঢাকার রাজপথে ফাঁসিবাদ বিরোধী আন্দোলনে অংশগ্রহণ করেন। ২০২৩ সালে তিনি অ্যাবের ঢাকা বিভাগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন।
বর্তমানে তিনি ইঞ্জিনিয়ার ইনস্টিটিউটের (IEB) এ ঢাকার কেন্দ্র সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। শুধু ঢাকাতেই নয় তিনি নওগাঁ জেলার যুবদলের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে (২০১৮-২০২৩)দায়িত্ব পালন করেন এবং তিনি যুবদলের সাথে রাজপথে আন্দোলনে অংশগ্রহণ করেন। ” তিনি বর্তমান কনস্ট্রাকশন ব্যাবসায় জড়িত। দেশ বাংলা কনস্ট্রাকশন লিঃ এর ম্যানিজিং ডিরেক্টর এবং ড্রীম টেকনোলজিস এর সত্ত্বাধিকারী “।



সংবাদের আলো বাংলাদেশ সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।