আওয়ামীলীগ মিথ্যা সংবাদ প্রচার করায় “জুলাই যোদ্ধার” সংবাদ সম্মেলন।
খাইরুল ইসলাম, কামারখন্দ, (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ উপজেলার ধোপাকান্দি গ্রামের যুবক ও ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানের জুলাই যোদ্ধা জুলকার নাইম (ডাকনাম হৃদয়)। সোশ্যাল মিডিয়া আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীরা গোপালগঞ্জের সহিংসতায় নিহত ছাত্রলীগ কর্মী হিসেবে প্রচার করায় তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার বেলা ৩টায় কামারখন্দ প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে তিনি ও তার পরিবার এ প্রতিবাদ জানান।
সংবাদ সম্মেলনে জুলকার নাইম বলেন, “আমি জীবিত ও সম্পূর্ণ সুস্থ। আমার কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা নেই। অথচ আমার ছবি ও পরিচয় ব্যবহার করে ‘রমজান কাজী’ নাম দিয়ে আমাকে ছাত্রলীগ সদস্য হিসেবে নিহত বলা হয়েছে। এটি সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও মানহানিকর।
তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “সঠিক তথ্য যাচাই না করে এমন বিভ্রান্তিকর সংবাদ গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া খুবই দুঃখজনক। আমি সংশ্লিষ্টদের দ্রুত এই ভুল সংশোধনের আহ্বান জানাই।
জুলকার নাইমের বাবা মো. আলী আক্কাস সরকার বলেন, “আমার ছেলে জীবিত ও বাড়িতেই আছে। অথচ গতকাল গোপালগঞ্জে সংঘর্ষে নিহতদের তালিকায় মিথ্যা পরিচয় ও ছবি দিয়ে আমার ছেলেকে নিয়ে যে বিভ্রান্তি ছড়ানো হয়েছে, তা মেনে নেওয়া যায় না।
সংবাদ সম্মেলনে স্থানীয় সাংবাদিকসহ বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরাও উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (১৬ জুলাই) গোপালগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর একটি কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে সহিংসতায় চারজন নিহত হন। তাদের মধ্যে কোটালীপাড়া উপজেলার রমজান কাজী, গোপালগঞ্জ শহরের দীপ্ত সাহা, টুঙ্গিপাড়ার সোহেল রানা ও সদর উপজেলার ইমন তালুকদারের নাম প্রকাশ করা হয়।
কিন্তু ওই ঘটনার পর ‘দৈনিক সমকাল’ পত্রিকার “আমার সন্তানকে পাব কোথায়” শিরোনামের খবরে নিহত রমজান কাজী হিসেবে জুলকার নাইমের ছবি ব্যবহার করা হয়। যা দ্রুত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এবং বিভ্রান্তি তৈরি হয়।



সংবাদের আলো বাংলাদেশ সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।