কটিয়াদীতে রোজা উপলক্ষে বিনা লাভে গোশত বিক্রি

সংবাদের আলো ডেস্ক: প্যাকেট করে স্তরে স্তরে সাজানো হয়েছে গোশত৷ চারদিকে গ্রামবাসীর জটলা লেগে আছে। কেউ এক প্যাকেট আবার কেউ কয়েক প্যাকেট যার যার প্রয়োজনমতো গোশত কিনে নিয়ে যাচ্ছেন৷ ন্যায্য দামে বিক্রি হচ্ছে গোশত৷ এটা কোন ব্যাবসা নয়। গ্রামবাসীকে অন্তত প্রথম রোজার দিনটিতে পাতে যেনো গোশত থাকে এই লক্ষ নিয়ে এই আয়োজন৷ ধনী গরীব এক কাতারে এসে সবাই কমবেশি ন্যায্য দামে কিনতে পারছেন৷ আনন্দের আবহের মধ্যে সবাই একসাথে গোশত সংগ্রহ করার দৃশ্য সম্প্রীতির সেতুবন্ধন সৃষ্টি করেছে৷ সামাজিক সম্পর্ককে করছে শক্তিশালী৷ এলাকার কয়েক শতাধিক মানুষ আনন্দের সাথে এটি গ্রহণ করেছ বলে তারা জানান। এমনিভাবে পবিত্র রমজান মাস শুরু উপলক্ষে সবার মধ্যে সম্প্রীতির বন্ধন ছড়িয়ে দিতে বিনা লাভে গোশত বিক্রি করা হয়েছে কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলার লোহাজুরী ইউনিয়নের কওমি মাদ্রাসা সংলগ্ন বাজারে৷
শনিবার (২৯ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত ইউনিয়ন ইসলামী যুব আন্দোলনের উদ্যোগে বিনা লাভে গোশত বিক্রি করা হয়েছে। এতে এলাকার তরুণ আলেমরা সহযোগিতা করেছেন৷ লোহাজুরী গ্রামের বাসিন্দা উপজেলা যুব আন্দোলনের সহ-সভাপতি শহিদুল্লাহ জমশেদ বলেন, পৃথিবীর অনেক দেশেই রোজা আসলে জিনিসপত্রের দাম কমে কিন্তু আমাদের দেশে বেড়ে যায় এটি দুঃখজনক। আমরা মানুষের কথা চিন্তা করে গরু জবাই করে ক্রয় মুল্যো গোশত বিক্রি করছি৷’ একি এলাকার তরুণ আলেম মাওলানা সাইফুল ইসলাম রহমানী বলেন,
আমরা চাচ্ছি প্রথম রোজাতে হলেও মানুষ যাতেকরে কম টাকায় গোশত কিনতে পারে৷ আমরা নিজেরা কাজ করে কিনা দামে বিক্রি করছি৷ মানুষ সন্তুষ্ট হয়েছে এই আয়োজনে।’ মাওলানা জাকির হোসেন বলেন, এই আয়োজনের মধ্যে ধনী গরীবের কোন ব্যাবধান ছিলো না৷ আমরা এলাকার মানুষকে সম্প্রীতির বন্ধনে আবদ্ধ করেছি। মানুষ তৃপ্তি পেলে আমরাও আনন্দিত৷ উওর লোহাজুরীর বাসিন্দা জমির উদ্দিন সবুজ বলেন, সত্যি এটি দারুণ উদ্যোগ৷ আমি এক হাজার টাকা দিয়ে একটি বন্টন কিনলাম৷ অনেক দূর থেকে মানুষ আসছে গোশত নিতে৷ এক সাথে সবাই মিলে কমবেশি সবাই গোশত নিচ্ছে এই দৃশ্যটি দারুণ লাগলো।’


সংবাদের আলো বাংলাদেশ সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।
[TheChamp-FB-Comments]