ইরানে সামরিক ক্ষমতা প্রয়োগ নিয়ে পঞ্চমবারের ভোটাভুটিতেও জিতলেন ট্রাম্প
সংবাদের আলো ডেস্ক: ইরানে সামরিক ক্ষমতা প্রয়োগ নিয়ে চলতি বছর পঞ্চমবারের মতো ভোটাভুটির মুখে পড়েও উতরে গেলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ইরানের বিরুদ্ধে ভবিষ্যতে যেকোনও সামরিক পদক্ষেপ নেয়ার আগে কংগ্রেসের অনুমোদন বাধ্যতামূলক করতে চান ডেমোক্র্যাটরা। সেজন্য ট্রাম্পের যুদ্ধক্ষমতা সীমিত করতে সিনেটে একটি প্রস্তাব এনেছিলেন তারা। তবে আগের চারবারের ন্যায় এবারও তা প্রত্যাখ্যাত হয়েছে।
প্রস্তাবটির পক্ষে পড়েছে ৪৬ ছোট, আর ট্রাম্পের পক্ষে ৫১ ভোট। তাই শেষপর্যন্ত প্রস্তাবটি আর পাস হয়নি। ডেমোক্র্যাট সিনেটর জন ফেটারম্যান রিপাবলিকানদের সঙ্গে মিলিত হয়ে প্রস্তাবটির বিরোধিতা করেন। আর রিপাবলিকান সিনেটর র্যান্ড পল ডেমোক্র্যাটদের পক্ষে ভোট দেন।
সিনেটের মাইনরিটি লিডার চাক শুমার গত সপ্তাহে ঘোষণা দেন, ডেমোক্র্যাটরা লাগাতার প্রতি সপ্তাহে একটি করে যুদ্ধক্ষমতা সংক্রান্ত ভোট প্রস্তাব করবে।
থম টিলিস ও লিসা মুরকাউস্কিসহ কিছু রিপাবলিকান সিনেটর ইঙ্গিত দিয়েছেন, সংঘাত ৬০ দিনে পৌঁছালে সামরিক শক্তি ব্যবহারের অনুমোদনসংক্রান্ত ভোটে তারা ডেমোক্র্যাটদের সমর্থন দিতে পারেন। একই সঙ্গে, সিনেটের রিপাবলিকান নেতৃত্বও জানিয়েছে, সংঘাত প্রশমিত না হলে ৯০ দিনের পর তারাও এমন পদক্ষেপ নিতে পারে।
তবে গত সোমবার (২০ এপ্রিল) এ ধরনের ভোটের বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে সিনেটের সংখ্যাগরিষ্ঠ নেতা জন থুন সাংবাদিকদের বলেন, ‘এ মুহূর্তে এমন (ট্রাম্পকে ঠেকাতে ডেমোক্র্যাটদের প্রস্তাবে একমত হওয়া) কিছু ঘটছে বলে আমি মনে করি না।’
প্রসঙ্গত, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি কংগ্রেসের অনুমোদন ছাড়াই ইসরায়েলের সঙ্গে যৌথভাবে ইরানে হামলা শুরুর নির্দেশ দেন ট্রাম্প। হামলার শিকার হয়ে মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে পাল্টা আঘাত হানে ইরান। এতে দুই পক্ষের মধ্যে প্রায় পাঁচ সপ্তাহ ধরে যুদ্ধ চলে। গত ৮ এপ্রিল পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় দুই সপ্তাহের জন্য যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান।
সেই যুদ্ধবিরতির মেয়াদ ফুরিয়ে যাওয়ার পর ট্রাম্প এককভাবে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ অনির্দিষ্টকালের জন্য বাড়িয়েছেন। ইরানের পক্ষ থেকে অবশ্য নতুন করে ঘোষিত এই যুদ্ধবিরতি নিয়ে এখনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি।
সূত্র আল জাজিরা



সংবাদের আলো বাংলাদেশ সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।