৪/৫ জন উপদেষ্টার কাছে গিয়েও কোনো হেল্প পাইনি: মাহফুজ
সংবাদের আলো ডেস্ক: অন্তর্বর্তীকালীন সরকারে উপদেষ্টা থাকাকালীন কয়েকজন সহকর্মীকে নিয়ে সমালোচনা করেছেন জুলাই আন্দোলনের মাস্টারমাইন্ড হিসেবে পরিচিত মাহফুজ আলম।
বুধবার (১৫ এপ্রিল) রাতে নিজের ফেসবুকে এক বিবৃতিতে সমালোচনা করেন তিনি।
সেখানে তিনিম লেখেন, আজকে হাসনাতের সংসদে ‘আকুতি’ দেখে মনে পড়ল যে, রামগঞ্জ-লক্ষ্মীপুরের উন্নয়নের জন্য ৪/৫ জন উপদেষ্টার কাছে গিয়েও কোনো হেল্প পাইনি। তাদের সাথে কয়েকবার দেখা করেছি। ডিও লেটার দিয়েছি। সেসব লেখার সময় এখনো আসেনি। এতটুকু বলতে পারি যে, একটি রাজনৈতিক দলের চাপে/সিদ্ধান্তে উনারা আমার এলাকায়/আমাকে কোনো সহযোগিতা করেননি।
মাহফুজ আলম লেখেন, হাসনাত বলসেন এলাকায় মুখ দেখাতে পারবেন না। আর, আমার মুখটা ঢেকে দিয়েছিলেন আমার সহকর্মীগণ! খোদা তাদের মঙ্গল করুন। অন্তরীণ সরকার কিভাবে চলত, এটা নিয়ে কত মিথ্যা আর গুঞ্জন হলো। গুঞ্জন আর নানা হিসাবের বাইরে তো অনেক সত্য আছে!!
শেষে মাহফুজ বলেন, আমি যে মাদরাসায় ৮ বছর পড়েছি, যে মাদরাসা আমার বাবা লীগ কর্তৃক বেদখল হওয়া পর্যন্ত ১৫ বছর পরিচালনা করেছেন, সে মাদরাসা এমপিওভুক্ত হয়নি। কারণ, আমি একটি রাজনৈতিক দলের বিরোধিতা করেছিলাম। আমি তো ‘অযোগ্য’ উপদেষ্টাই বটে! আর, সে রাজনৈতিক দল নাকি ক্ষমতায় ছিল না। হাহা পায় যে হাসি!!
কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্বার) আসনে এনসিপির সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ বুধবার কুমিল্লা-সিলেট মহাসড়কের দেবিদ্বার অংশ সংস্কারের দাবি জানান। জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আলোচনা চলাকালে পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে হাসনাত বলেন, এই মহাসড়কটি ছয় লেনের হওয়ার কথা থাকলেও বর্তমানে এটি মাত্র ১৮ ফিট প্রশস্ত হয়ে আছে। এ অবস্থার কারণে আমি এলাকায় মুখ দেখাতে পারি না। আপনাদের কাছে আমি ভিক্ষা চাই, দ্রুত রাস্তাটি করে দিন।



সংবাদের আলো বাংলাদেশ সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।