বুধবার, ১১ই মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

শিরোনাম

আমার স্ত্রীও একটা ফ্যামিলি কার্ড পাবেন: মির্জা ফখরুল

সংবাদের আলো ডেস্ক: প্রত্যেকটা নারী একটি করে ফ্যামিলি কার্ড পাবেন। এই স্কিমটাই এমন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ডিসি সাহেব-এমনকি আমার স্ত্রীও একটা ফ্যামিলি কার্ড পাবেন বলে মন্তব্য করেছেন এলজিআরডি মন্ত্রী ও বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সকালে সদর উপজেলার রহিমানপুর সম্মিলিত ঈদগাহ আলিম মাদরাসা মাঠে ৫৯০ জন নারীর মাঝে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ অনুষ্ঠানে বক্তব্য প্রদানের সময় এ মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, প্রত্যেকটা পরিবারের প্রধান যারা মহিলারা তারা একটি করে কার্ড পাবেন। এটর উদ্দেশ্যে হচ্ছে মহিলাদের ক্ষমতায়ন করা, তাদের হাতে একটা অস্ত্র তুলে দেওয়া।নির্বাচনের আগে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম সরকারে আসলে ফ্যামিলি কার্ড চালু করা হবে৷ আমরা আমাদের প্রতিশ্রুতি পূরণ করতে যাচ্ছি। আমরা আমাদের কথা রেখেছি।

মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক পর্যায়ে  আমরা কাজ শুরু করেছি। এই কার্ড সবাই পাবেন, প্রত্যেক ঘরে ঘরে যাবে। শুধু সময়ের ব্যাপার৷ ফ্যামিলি কার্ড একটা শক্তি বা ক্ষমতা৷ যেটা নিয়ে আপনি সব জায়তায় দাড়াতে পারবেন৷ এই কার্ডের মাধ্যমে একটা ক্ষমতা তৈরী হবে আপনাদের। পুরুষেরা আপনাদের গুরুত্ব দেয়া শুরু করবে৷ সকলের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাতে চাই। তিনি আমাদের এই এলাকা বেছে নিয়েছেন৷

মহাসচিব বলেন, সরকারে আসার ২২ দিনের মধ্যে কার্ড দিয়েছি। ১০ হাজার টাকা কৃষিঋণ মওকুফ করা হয়েছে। ১৬ তারিখে খাল-খনন শুরু হবে। বর্ষার সময় যে পানি হয় সেটা সংরক্ষণ করে খরায় কাজে লাগানো হবে৷ প্রত্যেকটা কৃষককে কৃষি কার্ড দেওয়া হবে। তা দিয়ে ন্যাযমূল্যে সার, সেচ ও বীজ কিনতে পারবেন৷

মির্জা ফখরুল বলেন, ১৫ বছর আইনকানুন ছিলনা৷ আমাদের নানা ভাবে নির্যাতন করা হয়েছে। টাকা ছাড়া কার্ড পাওয়া যেতনা। এবারে কোন টাকা পয়সা লাগেনি৷ হতাশ হবেন না, সবাইকে কার্ড দেওয়া হবে। নারী ডিসি, এসপিরাও কার্ড পাবেন৷ তিনি কি কাজে ব্যবহার করবেন সেটা পরের বিষয়৷ জনগণের শক্তির কাছে কোন শক্তিই বড় নয়৷

তিনি বলেন, নির্বাচনের আগে বলেছিলাম আমার শেষ নির্বাচন। আপনারা আমাকে নির্বাচিত করেছেন৷ আমি আপনার ঋণ কখনো শোধ করতে পারব না৷ তবে কিছু কাজ করে যেতে চায়৷ ২৭ সালে মেডিকেল কলেজে ভর্তি শুরু হবে৷ বিশ্ববিদ্যালয়-বিমানবন্দরের কাজ শুরু হবে। বেকারদের কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। মাদকের রোষানল  থেকে প্রজন্মকে রক্ষা করব৷

এসময় ঠাকুরগাঁও-২ আসনের সাংসদ ডা আব্দুস সালাম, বিভাগীয় কমিশনার শহীদুল ইসলাম এনডিসি, জেলা প্রশাসক ইশরাত ফারজানাসহ বিএনপির নেতৃবৃন্দ ও উপকার ভোগীরা উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদের আলো বাংলাদেশ সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

এই সপ্তাহের পাঠকপ্রিয়