শুক্রবার, ২৪শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

শিরোনাম

সিটি করপোরেশন নির্বাচনে চ্যালেঞ্জ দেখছে না ইসি

সংবাদের আলো ডেস্ক: ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের পর স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। মেয়াদোত্তীর্ণ ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ এবং চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচন আয়োজনের মধ্য দিয়ে স্থানীয় সরকারের নির্বাচন কার্যক্রম শুরু করতে চাইছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

আইন অনুযায়ী, মেয়াদ শেষ হওয়ার পূর্ববর্তী ১৮০ দিনের মধ্যে সিটি করপোরেশন নির্বাচন দেওয়ার বাধ্যবাধকতা আছে। সেই অনুযায়ী ঢাকার দুই সিটির মেয়াদ পূর্ণ হয়েছে গত বছর। আর চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের শেষ হয়েছে চলতি বছরের ২২ ফেব্রুয়ারি।

ইসি বলছে, সিটি করপোরেশন নির্বাচন নিয়ে চ্যালেঞ্জ না থাকলেও এসব নির্বাচন আয়োজন নিয়ে সভায় বসবে কমিশন।

নির্বাচন কমিশনার আনোয়ারুল ইসলাম সরকার বলেছেন, আগে আমরা একটা কর্মপরিকল্পনা করবো। কর্মপরিকল্পনা করার পর আমরা চ্যালেঞ্জ কী তা দেখবো। এই মুহূর্তে কোনো চ্যালেঞ্জ আমরা দেখতেছি না। কমিশন বসে নির্বাচনী কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করবে, তারপর ধাপে ধাপে নির্বাচনগুলো হবে।

সুশাসনের জন্য নাগরিকে (সুজন) সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার বলেন, গণতান্ত্রিক প্রতিনিধি দিয়ে স্থানীয় সরকার গঠন করা অপরিহার্য।

তার মতে, দ্রুত স্থানীয় নির্বাচন করাটা গুরুত্বপূর্ণ। তবে দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনকে প্রভাবিত করার সম্ভাবনা থেকে যায়। তাই এটা নির্বাচন কমিশনের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। আমার মনে হয়, সিটি করপোরেশনগুলোর আইন মোটামুটি গ্রহণযোগ্য। সিটি করপোরেশনের আইনগুলো দিয়ে নির্বাচন পার করা সম্ভব হতো এবং সমস্যা হতো না।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদও গুরুত্ব দেন স্থানীয় সরকারের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের ওপর। 

তিনি বলেন, প্রশাসক নিয়োগের পরিবর্তে যে অবস্থা ছিল, যারা ছিলেন তারা থাকা অবস্থায় যদি ভোট হতো তাহলে আমার কছে মনে হয় এটা আরো ভালো হতো এবং রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে গ্রহণযোগ্যতা বেশি পেতো। নির্বাচিত প্রতিনিধি তো পাঁচ বছরের জন্য নির্বাচিত হচ্ছেন। সবাই কিন্তু তার ওপরে ভরসা করে দীর্ঘমেয়াদের পরিকল্পনা এবং স্বল্পমেয়াদী পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করতে আগ্রহী হবে এবং তারা মনোনিবেশ করতে পারবেন। কিন্তু প্রশাসক থাকলে তো আসলে সাময়িক সময়ের জন্য; সুতরাং সেই সময়ে আসলে সুন্দর, সংগঠিতভাবে কাজ করা কিছুটা হলেও আমার কাছে মনে হয় যে বাধাগ্রস্ত হবে।

এদিকে, দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথম কর্মদিবসেই দ্রুত নির্বাচনের কথা বলেছিলেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এর এক সপ্তাহের প্রশাসক নিয়োগ দেয় সরকার।

সংবাদের আলো বাংলাদেশ সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

এই সপ্তাহের পাঠকপ্রিয়