শুক্রবার, ২৩শে জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

শিরোনাম

গণভোটে ‘না’ ভোট চাওয়ায় তোপের মুখে জাতীয় পার্টির প্রার্থী

সংবাদের আলো ডেস্ক: সিরাজগঞ্জ-৪ (উল্লাপাড়া) আসনে গণভোটে ‘না’ ভোট চাওয়াকে কেন্দ্র করে তোপের মুখে পড়েছেন জাতীয় পার্টির প্রার্থী হিলটন প্রামানিক। বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) বেলা ১১টায় উল্লাপাড়া উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে উপজেলা পরিষদ চত্বরে অনুষ্ঠিত সকল প্রার্থীর ইশতেহার ঘোষণা ও নির্বাচনী আচরণবিধি পালন ঘোষণা অনুষ্ঠানে এ ঘটনা ঘটে।

অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা এ টি এম আরিফের সভাপতিত্বে বিএনপির প্রার্থী এম. আকবর আলী, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মুফতি আব্দুর রহমান, জাতীয় পার্টির প্রার্থী মো. হিলটন প্রামাণিক এবং বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির প্রার্থী মো. আব্দুল হাকিম নিজ নিজ ইশতেহার ঘোষণা করেন।

বিএনপির প্রার্থী এম. আকবর আলী তার ইশতেহারে বলেন, নির্বাচিত হলে উল্লাপাড়াকে চাঁদাবাজ, দুর্নীত, মাদক ও সন্ত্রাসমুক্ত উপজেলা হিসেবে গড়ে তোলা হবে। বেকার যুবক-যুবতীদের দক্ষ ও কর্মযোগ্য করে তুলতে কারিগরি ইনস্টিটিউট ও নার্সিং ইনস্টিটিউট স্থাপন করা হবে। যোগাযোগ ও চিকিৎসা খাতে উন্নয়নসহ উল্লাপাড়ার সার্বিক উন্নয়নে কাজ করবেন তিনি।

জামায়াত প্রার্থী মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান তার ইশতেহারে বলেন, নির্বাচিত হলে চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি, দুর্নীতি ও মাদকমুক্ত শান্তিপূর্ণ উল্লাপাড়া গড়ে তোলা হবে। কৃষিনির্ভর এই উপজেলায় কৃষিপণ্য সংরক্ষণের জন্য একটি কোল্ড স্টোরেজ স্থাপন এবং কৃষকদের জন্য সুদবিহীন ঋণের ব্যবস্থা করা হবে। পাশাপাশি নার্সিং ইনস্টিটিউট ও কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হবে। সেই সাথে চিকিৎসা ও যোগাযোগ খাতসহ সার্বিক উন্নয়নে কাজ করবেন তিনি।

জাতীয় পার্টির প্রার্থী মো. হিলটন প্রামাণিক তার ইশতেহার ঘোষণার এক পর্যায়ে গণভোটের বিপক্ষে কথা বললে উপস্থিত নেতা-কর্মী ও জনতার তোপের মুখে পড়েন। এ সময় ক্ষুব্ধ জনতা ‘দালাল’ ও ‘ভুয়া’ বলে স্লোগান দিতে থাকেন। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী এবং অন্য দলীয় প্রার্থীদের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।

অনুষ্ঠান শেষে জাতীয় পার্টির প্রার্থী মো. হিলটন প্রামাণিক সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করে বলেন, তার দলীয় ইশতেহার অনুযায়ী গণভোটে ‘না’ ভোটের পক্ষে কথা বলায় উশৃঙ্খল লোকজন তার ওপর চড়াও হন।

এ বিষয়ে সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এ টি এম আরিফ এর সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে ফোনে পাওয়া যায়নি। 

সংবাদের আলো বাংলাদেশ সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

এই সপ্তাহের পাঠকপ্রিয়