,

শিরোনাম

ভূঞাপুরে বিদ্যুতের লুকোচুরি , অতিষ্ঠ  জনজীবন 

আখতার হোসেন খান, ভূঞাপুর টাঙ্গাইল প্রতিনিধি: টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে বিদ্যুতের লুকোচুরি চলছে অবিরাম। জনজীবনে ভোগান্তি চরমে। এসএসসি পরীক্ষার্থীরা পড়তে পারছে না বাসায়। স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে পরীক্ষা কেন্দ্রে। ফার্মে মরে যাচ্ছে মুরগী।

চলমান বিদ্যুৎ ব্যবস্থায় জনজীবনে নেমে এসেছে চরম ভোগান্তি অসন্তোষ, ক্ষোভের সৃষ্টি হচ্ছে সকল শ্রেণি পেশার মানুষের মাঝে।

চলমা এসএসসি পরীক্ষার্থীরা গরমে এবং আলোর অভাবে পড়তে পারছে না।

বিদ্যুৎ না থাকায়  লেয়ার ও বয়লার মুরগী প্রচন্ড গরমে মারা যাচ্ছে। জেনারেটর থাকলেও তেলের সংকটে তা ব্যবহার করতে পারছেন না ফার্ম মালিকগণ।

খামার মালিক শামিম তালুকদার জানান, বিদ্যুৎ সরবরাহ ঠিকমত না পাওয়ায়,  খামারের অনেক মুরগী হিটস্ট্রোক মারা যাওয়ায় দারুণ ভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়ে খামার বন্ধ করে দিয়েছি।

যমুনার চরাঞ্চলে ইরি চাষের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। রামাইল চর থেকে আসা হাবিবুর জানান, নিয়মিত বিদ্যুৎ না থাকায় ধান উৎপাদন কম হবে।

এসএসসি পরীক্ষার্থী জানান, বিদ্যুৎ না থাকায় লেখাপড়ার অনেক ক্ষতি হচ্ছে। পরীক্ষার হলেও টিকে থাকা কষ্টকর।

ফলে ক্ষোভের আগুনের জ্বলছে দেশ। দায়ী করা হচ্ছে নবগঠিত সরকারকে। ভূঞাপুর বিদ্যুৎ বিভাগ সূত্রে জানা যায়, চাহিদা ১৯ থেকে  ২০ মেগাওয়াট সেখানে সরবরাহ ৮ থেকে ১০ মেগাওয়াট।

ভূঞাপুরের ৬ টি ইউনিয়ন ও পৌরসভা, গোপালপুরের ৩ টি ইউনিয়ন কালিহাতীর সিঙ্গুরিয়া ও সরাতৈল,  ঘাটাইলের লোকের পাড়া ও আনেহলা ভূঞাপুর বিদ্যুৎ বিভাগের আওতায় রয়েছে।

ভূঞাপুরের নির্বাহী প্রকৌশলী কামরুজ্জামান জানান, বিদ্যুতের ঘাটতি ও চাহিদার তুলনায় সরবরাহ অনেক কম থাকায়, আমাদের হিমশিম খেতে হচ্ছে এবং চাহিদা পূরণ করতে পারছি না।

সংবাদের আলো বাংলাদেশ সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

এই সপ্তাহের পাঠকপ্রিয়