তারেক রহমানের বগুড়া-৬ আসন শূন্য ঘোষণা
সংবাদের আলো ডেস্ক: বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানরে বগুড়া-৬ সংসদীয় আসন শূন্য ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) এ-সংক্রান্ত গেজেট প্রকাশ করা হয়। এর আগে তারেক রহমান বগুড়া-৬ আসন ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত জানিয়ে ইসিতে চিঠি দেন। তিনি বগুড়া-৬ এবং ঢাকা-১৭ আসন দুটি থেকেই নির্বাচিত হন।
ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ স্বাক্ষরিত গেজেটে বলা হয়, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৭১ অনুচ্ছেদের (২)(ক) অনুযায়ী একজন সদস্য কেবল একটি আসনের প্রতিনিধিত্ব করতে পারেন। তারেক রহমান ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে নির্বাচনি এলাকা-১৯০ ঢাকা-১৭ এর প্রতিনিধিত্ব করার ইচ্ছা জানিয়ে কমিশনে স্বাক্ষরিত ঘোষণাপত্র দাখিল করেন। ফলে একই তারিখ থেকে বগুড়া-৬ আসনটি শূন্য ঘোষণা করা হয়েছে।
গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) অনুযায়ী, একজন ব্যক্তি সর্বোচ্চ তিনটি আসনে নির্বাচন করতে পারেন। তবে সংবিধান অনুসারে নির্বাচিত হওয়ার পর একজন সংসদ সদস্য কেবল একটি আসনের প্রতিনিধিত্ব করবেন। এজন্য একাধিক আসনে জয়ী হলে শপথের আগেই একটি আসন রেখে বাকি আসন ছাড়ার সিদ্ধান্ত নির্বাচন কমিশনকে জানাতে হয়। নির্বাচনের ফল গেজেট আকারে প্রকাশের ৩০ দিনের মধ্যে এ সিদ্ধান্ত না জানালে জয়ী হওয়া সব আসনই শূন্য ঘোষণার বিধান রয়েছে।
আসনটি শূন্য ঘোষণা করে গেজেট জারি হওয়ায় পরে এই আসনে উপ-নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা হবে।
১৯৭২ সালের গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশে একজন প্রার্থী কয়টি আসনে নির্বাচন করতে পারবেন, সে বিষয়ে স্পষ্ট সীমা ছিল না। পরে সংশোধনের মাধ্যমে সর্বোচ্চ আসনের সীমা নির্ধারণ করা হয়। ১৯৮৬ সালে প্রথমবারের মতো একজন প্রার্থীকে সর্বোচ্চ পাঁচটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার সুযোগ দেওয়া হয়। পরে ২০০৮-২০০৯ সালে আরপিও সংশোধন করে সেই সীমা কমিয়ে সর্বোচ্চ তিনটি আসনে নির্ধারণ করা হয়।



সংবাদের আলো বাংলাদেশ সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।