নীতিমালা ভঙ্গ করে শ্রমিক নিয়োগ যমুনায় ডিজিএমের বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি গঠন
জামালপুর প্রতিনিধি: জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে অবস্থিত যমুনা সার কারখানায় (জেএফসিএল) চুক্তি ও নীতিমালা ভঙ্গ করে শ্রমিক নিয়োগের অভিযোগে প্রশাসনিক বিভাগের উপ-মহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) দেলোয়ার হোসেনের বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি গঠিত হয়েছে। বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশনের (বিসিআইসি) উপ-মহাব্যবস্থাপক (ক্রয়) ও তদন্ত কমিটির সদস্য সচিব মুহাম্মদ আব্দুস ছালাম গতকাল মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) এ সংক্রান্ত নোটিশ জারি করেন।
তিন সদস্যবিশিষ্ট প্রাথমিক তদন্ত কমিটির অন্য দুইজন হলেন আহ্বায়ক বিসিআইসির মহাব্যবস্থাপক (বাণিজ্যিক-বিপণন) কাজী আনোয়ার হোসেন ও সদস্য অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী (রসায়ন) মুহাম্মদ শরীফুল ইসলাম মজুমদার। আগামীকাল বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) অভিযোগকারী মেসার্স আল মমিন আউটসোর্সিং সার্ভিসেস লিমিটেডের সত্ত্বাধিকারী মমিনুল ইসলামের সাক্ষ্যগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, “দৈনিক ভিত্তিতে সাময়িক শ্রমিক নিয়োজিতকরণ নীতিমালা-২০২৫” অনুযায়ী বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে দৈনিক হাজিরা ভিত্তিক (কারখানা চালুকালীন ২৩৯ জন ও বন্ধকালীন ১৬৫ জন) শ্রমিক নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে মেসার্স আল মমিন আউটসোর্সিং সার্ভিসেস লিমিটেডকে ঠিকাদার নিযুক্ত করা হয়। কিন্তু কারখানার উপ-মহাব্যবস্থাপক (প্রশাসন) দেলোয়ার হোসেন চুক্তি ও নীতিমালা অমান্য করে অনৈতিক সুবিধার বিনিময়ে অন্যভাবে শ্রমিক নিয়োগ দেন। অথচ চুক্তিভিত্তিক ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মাত্র ২৪ জন শ্রমিক নিয়োগ করতে পারে।
অভিযোগকারী মমিনুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, “ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে উপেক্ষা করে চুক্তি ও নীতিমালা ভঙ্গ করে শ্রমিক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তাই প্রতিকার কামনায় কারখানা নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা বিসিআইসি বরাবর অভিযোগ দায়ের করা হয়।” এব্যাপারে উপ-মহাব্যবস্থাপক (প্রশাসন) দেলোয়ার হোসেন কালের কন্ঠকে বলেন, সে কারখানার বাহিরে পরে কথা বলবেন বলে ফোন কেটে দেন।



সংবাদের আলো বাংলাদেশ সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।