মাদুরোকে আটকের পর নিন্দা জানিয়েছিলেন কলাম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট, এরপরই হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের
সংবাদের আলো ডেস্ক: দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতা নেয়ার পর থেকে ৮টি যুদ্ধ থামানোর দাবি করেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে এগুলোর মধ্যে অনেক সংঘাতেই তার সক্রিয় অংশগ্রহণের অভিযোগ আছে। সেই বিতর্কের মধ্যেই এবার ভেনেজুয়েলায় সরাসরি সামরিক অভিযান ওয়াশিংটনের। এমন পরিস্থিতিতে প্রশ্ন উঠেছে— কোন দেশ হতে পারে ট্রাম্পের পরবর্তী টার্গেট?
মনরো ডক্ট্রিনের অংশ হিসেবে গোটা পশ্চিম গোলার্ধজুড়ে কেবল মার্কিন আধিপত্য বিস্তারের প্রচেষ্টায় অনুমান করা যায়, ট্রাম্পের পরবর্তী নিশানার তালিকায় সবার উপরে নাম কলম্বিয়ার। মাদুরোকে বন্দির পর দেশটির প্রেসিডেন্ট গুস্তাভো পেত্রোকেও স্পষ্ট হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
আরেক সমাজতান্ত্রিক দেশ কিউবাকেও একটি ব্যর্থ রাষ্ট্র হিসেবে উল্লেখ করেছেন ট্রাম্প। বলেন, যুক্তরাষ্ট্র হামলা না চালালেও শিগগিরই পতনের মুখে দেখবে তারা।
এছাড়া মেক্সিকোর প্রেসিডেন্ট ক্লদিয়া শেনবাউমেরও কঠোর সমালোচক মার্কিন প্রেসিডেন্ট। দেশ চালানোর জন্য তাকে যথেষ্ট দক্ষ বলে মনে করেন না তিনি। ট্রাম্পের দাবি, নিজ দেশের মাদক চক্রগুলোকে নিয়ন্ত্রণে আনতে ভয় পাচ্ছেন এই রাষ্ট্রপ্রধান। এমন পরিস্থিতিতে মার্কিন হস্তক্ষেপের হুমকিতে মেক্সিকো।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ভেনেজুয়েলায় মার্কিন আগ্রাসন পরোক্ষভাবে সতর্কবার্তা দিচ্ছে এর মিত্রদেশ ইরানকে। আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে এ হামলা তেহরানের বিরুদ্ধেও একই ধরনের পদক্ষেপের পথ খুলে দেয়। এছাড়া, কিছুদিন আগে সরকার বিরোধী বিক্ষোভকারীদের সহায়তা করতে ইরানে সরাসরি হস্তক্ষেপের হুঁশিয়ারি দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।



সংবাদের আলো বাংলাদেশ সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।