,

শিরোনাম

রাঙামাটির ঝুলন্ত সেতু পারাপারে নিষেধাজ্ঞা

সংবাদের আলো ডেস্ক: টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে কাপ্তাই হ্রদে প্রতিনিয়ত পানি বাড়ার ফলে রাঙামাটি শহরে পর্যটকদের অন্যতম আকর্ষণ ঝুলন্ত সেতু ডুবে গেছে। এ পরিস্থিতিতে আজ শনিবার (২৯ আগস্ট) দুপুর থেকে এ সেতু পারাপারের ক্ষেত্রে অনির্দিষ্টকালের জন্য নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে কর্তৃপক্ষ।

পর্যটন করপোরেশন সূত্রে জানা গেছে, চেঙ্গী, মাইনী, কাচালং নদী এবং ভারতের মিজোরাম রাজ্য থেকে উৎপত্তি হওয়া কর্ণফুলী নদীর পানি কাপ্তাই হ্রদে এসে মিশেছে। টানা বৃষ্টিপাত ও পাহাড়ি ঢলে কয়েক দিন ধরেই কাপ্তাই হ্রদে পানি বাড়ছে। শুক্রবার বিকালেই হ্রদের পানি পাটাতন স্পর্শ করে। উজান থেকে পানি আসা অব্যাহত থাকায় শনিবার সকাল পর্যন্ত চার ইঞ্চি পানিতে ডুবে যায় ঝুলন্ত সেতু। ঝুঁকি এড়াতে পর্যটন করপোরেশনের পক্ষ থেকে সেতুতে দর্শনার্থীদের ওঠার ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।

রাঙামাটি পর্যটন করপোরেশনের ব্যবস্থাপক আলোক বিকাশ চাকমা বলেন, হ্রদে পানি বাড়ার কারণে ঝুলন্ত সেতুতে আজ সকালে চার ইঞ্চি পানি উঠেছে। তাই, ঝুঁকি এড়াতে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিয়ে আমরা অনির্দিষ্টকালের জন্য সেতু দিয়ে পারাপারে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছি। পানি কমলে পুনরায় দর্শনার্থীদের জন্য সেতু খুলে দেওয়া হবে।

কাপ্তাইয়ে কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎকেন্দ্র সূত্রে জানা গেছে, শনিবার দুপুর পর্যন্ত কাপ্তাই হ্রদে পানির উচ্চতা ছিল ১০৫ দশমিক ৬৪ ফুট এমএসএল (মিনস সি লেভেল)। কাপ্তাই হ্রদে পানির ধারণক্ষমতা ১০৯ ফুট এমএসএল। বর্তমানে এই কেন্দ্রের পাঁচ ইউনিট চালু রেখে ২২২ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হচ্ছে। এই কেন্দ্রে সর্বোচ্চ বিদ্যুৎ উৎপাদনক্ষমতা ২৪২ মেগাওয়াট।

সংবাদের আলো বাংলাদেশ সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

এই সপ্তাহের পাঠকপ্রিয়