বৃহস্পতিবার, ৭ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

শিরোনাম

তামিলনাড়ুতে জয়ের পরও সরকার গঠন নিয়ে টানাপোড়েনে থালাপতি

সংবাদের আলো ডেস্ক: তামিলনাড়ুর বিধানসভা নির্বাচনে একক বৃহত্তম দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করার পর সরকার গঠনের দাবি নিয়ে রাজ্যপাল আরভি আরলেকারের বাসভবনে গিয়েছেন থালাপতি বিজয়। নির্বাচনে বিজয়ী দল ‘তামিলাগা ভেট্টি কাজাগাম’ (টিভিকে) ১০৮টি আসনে জয়লাভ করে চমক দিলেও ম্যাজিক ফিগার ১১৮ থেকে ১০টি আসন পিছিয়ে আছে।

বৃহস্পতিবার (৭ মে) সকালে রাজভবনে এক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। যেখানে রাজ্যপালের সঙ্গে বসেছিলেন থালাপতি। রাজ্যপাল আরভি আরলেকার সেখানে থালাপতিকে সরকার পরিচালনার সক্ষমতা নিয়ে একাধিক প্রশ্ন করেন। জানতে চান কোন কোন দল তাকে সমর্থন দেবেন। উত্তরে থালাপাতি জানান, কংগ্রেসের ৫ জন তার সঙ্গে রয়েছেন। সে হিসেবেও সরকার গঠন থেকে আরও ৫টি আসন দূরে থাকা নিয়েও জিজ্ঞেস করা হয় থালাপতিকে। জবাবে তিনি নিজেকে ‘ফ্লোর টেস্ট’ বা আস্থা ভোটের জন্য প্রস্তুত বলে ঘোষণা করেন।

উল্লেখ্য, বিজয়ের ১০৮টি আসনের সাথে কংগ্রেসের ৫টি আসন যোগ হলে সংখ্যাটি ১১৩-তে পৌঁছায়। তবে সরকার গঠনে প্রয়োজন আরও ৫টি আসন। সে ক্ষেত্রে বামপন্থী দল সিপিআই, ভিসিকে এবং পিএমকে-র মতো ছোট দলগুলোর ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে বিজয়কে। এই দলগুলো সমর্থন দিলে বিজয়ের মোট আসন সংখ্যা ১২৩-এ পৌঁছাতে পারে। 

সমীকরণ সহজ মনে হলেও রাজনৈতিক আদর্শিক লড়াই এখানে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। পিএমকে দলটির সাথে বিজেপির সখ্যতা এবং ভিসিকে-র সাথে ডিএমকে-র জোট থাকায় থালাপতিকে বেশ বেগ পেতে হচ্ছে। এরইমধ্যে টিভিকে কংগ্রেসের শর্ত মেনে নিয়েছেন যে তিনি কোনো ‘সাম্প্রদায়িক শক্তির’ সাথে জোট করবেন না।

যদি থালাপতি বিজয় প্রয়োজনীয় সমর্থন জোগাড় করতে ব্যর্থ হন, তবে রাজ্যপাল নতুন নির্বাচিত বিধানসভা স্থগিত রেখে রাষ্ট্রপতি শাসনের সুপারিশ করতে পারেন। 

তামিলনাড়ুর দীর্ঘ ৬২ বছরের ডিএমকে-এআইএডিএমকে বলয় ভেঙে বিজয়ের এই উত্থান এখন ভারতীয় রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।

সংবাদের আলো বাংলাদেশ সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

এই সপ্তাহের পাঠকপ্রিয়