কর্মঘণ্টায় বিচারকদের ফেসবুক ব্যবহার নিয়ে প্রধান বিচারপতির কঠোর হুঁশিয়ারি
সংবাদের আলো ডেস্ক: ফেসবুকসহ সামাজিকমাধ্যম ব্যবহারের ক্ষেত্রে অধস্তন আদালতের বিচারকদের কঠোর নির্দেশনা দিয়েছেন নবনিযুক্ত প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী। বলেছেন, আদালতের কর্মঘণ্টার মধ্যে সামাজিকমাধ্যম ব্যবহার করার কোনো সুযোগ নেই। যদি কোনো বিচারক সেটা করেন এবং তার প্রমাণ পাওয়া যায় তাহলে সেদিনই হবে তার বিচারিক জীবনের শেষ দিন বলে হুঁশিয়ারি দেন তিনি।
সম্প্রতি সুপ্রিম কোর্ট অডিটোরিয়ামে এই অভিভাষণ অনুষ্ঠানে দেশের সব বিচারকদের উদ্দেশে দেয়া অভিভাষণে প্রধান বিচারপতি এই কঠোর হুঁশিয়ারি দেন। প্রধান বিচারপতি আদালতের পরিবেশ, দ্রুততম সময়ে মামলায় আদেশ ও রায় প্রদান করা, সততা বজায় রাখা, বহিরাগতদের কোর্টে প্রবেশ নিষিদ্ধে বিচারকদের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে নির্দেশ দেন।
অভিভাষণে প্রধান বিচারপতি বলেন, দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি বজায় রাখা হবে। বিচারকের আসনে বসে কোনো ধরনের অনিয়ম ও দুর্নীতিকে আশ্রয়-প্রশয় দেওয়ার সুযোগ নেই। যদি কোনো বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া যায় তাহলে তাকে চড়া মূল্য দিতে হবে।
উল্লেখ্য, অধস্তন আদালতের অফিসের সময়সূচি সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত। এর মধ্যে সকাল সাড়ে ৯টা থেকে বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত আদালতের কর্মঘণ্টা। মাঝে দুপুরের খাবার ও নামাজের বিরতি রয়েছে।
গত ২৩ ডিসেম্বর দেশের ২৬তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীকে নিয়োগ দেন রাষ্ট্রপতি। সংবিধানের ৯৫(১) অনুচ্ছেদের ক্ষমতাবলে রাষ্ট্রপতি তাকে এ পদে নিয়োগ দেন। ২৮ ডিসেম্বর বঙ্গভবনে নবনিযুক্ত প্রধান বিচারপতিকে শপথ পড়ান রাষ্ট্রপতি।



সংবাদের আলো বাংলাদেশ সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।