বুধবার, ১লা এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

শিরোনাম

বকেয়া মজুরির দাবিতে যমুনা সারকারখানায় শ্রমিক বিক্ষোভ

জামালপুর প্রতিনিধি: জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে তারাকান্দি যমুনা সারকারখানায় বকেয়া মজুরির দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (৩ জানুয়ারি) সকালে যমুনা সারকাখানার প্রধান ফটকের সামনে এ মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করেছে কারখানার মজুরি ভিত্তিক শ্রমিকরা। কারখানার শ্রমিকরা জানান, যমুনা সারকারখানায় দীর্ঘদিন ধরে মজুরি ভিত্তিক শ্রমিকের কাজ করে আসছেন তারা।

মেসার্স “আল-মমিন আউটসোর্সিং শ্রমিকদের পরিচালনায় কাজ পেয়ে গত বছরের সেপ্টেম্বর ও অক্টোবর মাসের মজুরি পরিশোধ করলেও নভেম্বর থেকে তারা মজুরি পাচ্ছেন না। বিষয়টি বার বার যমুনা কর্তৃপক্ষ ও ঠিকাদারকে জানিয়েও তারা অধ্যবদি পর্যন্তও বেতনের কোনো সমাধান পাচ্ছেন না। এ অবস্থায় মানবেতর জীবনযাপন করছে বলে জানান তারা। তারা আরো বলেন, বাধ্য হয়েই আন্দোলনে নেমেছি।

যদি দ্রুত বেতন পরিশোধ না করে তাহলে শ্রমিকরা কঠিন আন্দোলনে যাওয়ার হুশিয়ার দেন। কারখানা সুত্রে জানা যায়, যমুনা সারকারখানায় বিভিন্ন দপ্তরে দৈনিক মজুরী ভিত্তিক শ্রমিক কর্মচারী সরবরাহে গত বছরের ২১ আগষ্ট ঢাকা হাতিরপুল এলাকায় মেসার্স “আল-মমিন আউটসোর্সিং সার্ভিসেস লিঃ” চুক্তিবদ্ধ হন। চুক্তি অনুযায়ী কারখানা চালু অবস্থায় ২৩৯ জন এবং বন্ধকালীন ১৬৫ জন শ্রমিক সরবরাহ করার কথা ছিলো।

কার্যাদেশ পাওয়ার পর সেপ্টেম্বর ও অক্টোবর মাসের মজুরি পরিশোধ করলেও নভেম্বর থেকে ১৯০ জন শ্রমিকের মজুরি বন্ধ রয়েছে। এ ব্যাপারে মেসার্স “আল-মমিন আউটসোর্সিং সার্ভিস লিমিটেডের মালিক মোঃ মমিনুল ইসলাম জানান, দৈনিক ভিত্তিক নিয়োজিতকরণ নীতিমালা ২০২৫” মোতাবেক এবং চুক্তি কার্যাদেশ অনুযায়ী কারখানায় সকল শ্রমিক তার প্রতিষ্ঠান নিয়োগ দেওয়ার কথা। কিন্তু কারখানা কর্তৃপক্ষ সেই চুক্তির কার্যাদেশ লঙ্ঘন করেছে। এ কারনে ১৯০ জন শ্রমিকের নভেম্বর থেকে মজুরি দেওয়া সাময়িক বন্ধ রাখা হয় বলে জানান তিনি।

যমুনা সারকারখানার উপ-মহাব্যাবস্থাপক (প্রশাসন) দেলোয়ার হোসেন সাংবাদিকদের জানান, শ্রমিকদের বেতনের পরিশোধের জন্য ঠিকাদারকে গত ১৮ ও ২৯ ডিসেম্বর দুটি চিঠির মাধ্যমে ২৩৯ জন শ্রমিকের বেতন পরিশোধের কথা জানানো হয়। এরপরও বেতন পরিশোধ না করায় শ্রম পরিদর্শক (সাধারণ) কে জানানো হয়। এরপর তারা ঠিকাদারকে নোটিশ করে গত ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে বেতন পরিশোধ করে প্রমানাধি প্রেরনের নির্দেশ প্রদান করলেও এখনো বেতন পরিশোধ করে নাই। বিষয়টি দুঃখজনক বলে মন্তব্য করেন তিনি।

সংবাদের আলো বাংলাদেশ সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

এই সপ্তাহের পাঠকপ্রিয়