নাটোরে বাবা-ছেলে মিলে ধর্ষণ, সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী অন্তঃসত্ত্বা
সংবাদের আলো ডেস্ক: নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলার বনপাড়া মালিপাড়া গোয়ালপাড়া এলাকায় এক সপ্তম শ্রেণির মাদ্রাসা ছাত্রীকে দীর্ঘদিন ধরে বাবা ও ছেলে মিলে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠেছে। নির্যাতনের শিকার ওই ছাত্রী বর্তমানে অন্তঃসত্ত্বা বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
অভিযুক্তরা হচ্ছেন- বাবা সামসুল ইসলাম (৬০) একই এলাকার মৃত নওয়াব আলীর ছেলে ও সামসুল ইসলামের ছেলে আরিফুল ইসলাম (৩০)। বিষয়টি জানতে ছেলে আরিফুল ইসলামকে মুঠোফোনে বার বার ফোন দিলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
স্থানীয়রা জানান, বুধবার (২০ মে) রাত সাড়ে ১১ টায় ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে সালিশের মাধ্যমে অভিযুক্ত ছেলের সঙ্গে মেয়েটির বিয়ে পড়ানো হয়। এছাড়া মেয়ের নামে ৪ শতাংশ জমি লিখে দেওয়া এবং ১০ লাখ টাকা কাবিন ধার্য করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। একই সঙ্গে অভিযুক্ত পরিবারের সদস্যদের এলাকা ছেড়ে চলে যাওয়ার শর্তও দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে পুলিশ।
এ বিষয়ে বড়াইগ্রাম থানার অফিসার ইন চার্জ (ওসি) আব্দুস সালাম জানান, এখনো এ বিষয়ে থানায় কেউ অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যাবস্থা গ্রহণ করা হবে।



সংবাদের আলো বাংলাদেশ সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।