
মো. শাকিল আহমেদ, শ্রীবরদী প্রতিনিধি: শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলার হলদীগ্রাম, ফাকরাবাদ, স্বন্ধ্যাকুড়া, তামাগাঁও, বনগাঁও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের পানি স্রোতে ভেসে আসা বালির আগ্রাসন থেকে মুক্তি পেতে স্থায়ী সমাধান চান এলাকাবাসী।
সরেজমিনে অনুসন্ধানকালে দেখা যায়, গ্রামসমূহের মাঝখান দিয়ে উজান থেকে নেমে আসা মহারশি নদীটি বয়ে গেছে। মহারশি নদীতে পূর্বে বালুমহাল চালু থাকায় নিয়মতান্ত্রিকভাবে বালু উত্তোলণ হতো। এতে নদী খননের কাজ হয়ে যেতো। বালুমহালটি দুই বছর যাবৎ বন্ধ থাকার কারণে নদী ভরাট হয়ে গেছে। এখন সামান্য বৃষ্টি হলেই নদীর পানি বাড়ি ঘরে উঠে পড়ে এবং নদীর বালু ফসলি জমিতে সয়লাব হয়ে যায়। এতে চাষাবাদ ও গবাদি পশু পালন বন্ধ হয়ে পরিবার নিয়ে জীবিকা নির্বাহ করা কঠিন হয়ে পড়ছে।
হলদি গ্রামের বাসিন্দা মোঃ মারুফ হাসান বলেন, প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও নদীভাঙন থেকে রক্ষা পেতে পরিকল্পিত বালুমহাল ব্যবস্থাপনা এবং টেকসই নদী খননের (ড্রেজিং) দাবি অত্যন্ত যৌক্তিক ও সময়োপযোগী। অপরিকল্পিতভাবে বালু উত্তোলন যেমন পরিবেশের ক্ষতি করে, তেমনি সঠিক নিয়মে নদী খনন করলে নদীর নাব্যতাবৃদ্ধি পায় এবং বন্যার ঝুঁকি অনেকাংশে কমে যায়।
গ্রামবাসীর কষ্ট লাঘবে মহারশি বালুমহাল পুনরায় চালু অথবা নদী খননের ব্যবস্থা গ্রহণ করা এখন সময়ের দাবি।
সংবাদটি শেয়ার করুন।
Copyright © 2026 সংবাদের আলো. All rights reserved.