
সংবাদের আলো ডেস্ক: লিবিয়া থেকে অবৈধভাবে গ্রিসে যাওয়ার পথে ভূমধ্যসাগরে ভাসমান একটি নৌকায় থাকা কমপক্ষে ২২ জন অভিবাসনপ্রত্যাশীর মৃত্যু হয়েছে। উদ্ধার করা হয়েছে ২৬ জনকে, যাদের মধ্যে ২১ জনই বাংলাদেশি। মৃতদের মধ্যে সুনামগঞ্জের অন্তত ১০ জন রয়েছেন বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।
ইতালি যাওয়ার পথে ভূমধ্যসাগরে প্রাণহানির ঘটনা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম। তিনি বলেন, বাংলাদেশ মিশন জীবিত নাগরিকদের তথ্য সংগ্রহ করে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখছে। জীবিতদের সুস্থ করে দেশে ফিরিয়ে আনা সরকারের লক্ষ্য।
আজ রবিবার (২৯ মার্চ) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে তিনি এমন মন্তব্য করেন।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, লিবিয়া থেকে ইতালি যাওয়ার পথে ভূমধ্যসাগরে প্রাণহানির ঘটনা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক। ৬ দিন খাবার দেয়া হয়নি তাদের। হতভাগ্যদের মৃতদেহ জাহাজ থেকে সাগরে ফেলে দেয়া হয়। লেবানন এবং বাংলাদেশের মানবপাচার চক্র এ ঘটনাটি ঘটিয়েছে বলে আমরা ধারণা করছি। এ ধরনের অমানবিক কাজের দ্রুত সাজা হওয়া উচিত।
শামা ওবায়েদ ইসলাম জানান, জীবিতদের উদ্ধার করে কয়েকজনকে হাসপাতালে নেয়া যাওয়া হয়েছে। কয়েকজনকে একটা ক্যাম্পে রাখা হয়েছে। তাদেরকে ফিরিয়ে আনার ব্যাপারে কাজ চলছে, তবে একটু সময় লাগবে। কারণ কিছু রুলস এন্ড রেগুলেশনসের মধ্যে দিয়ে যেতে হবে।
তিনি জানান, যখন এ ধরনের কোনো ঘটনা ঘটে তখন প্রত্যেক দেশের সরকার সেন্সিটিভ হয়ে যায়। এখন আমাদের প্রথম অগ্রাধিকার হচ্ছে, বেঁচে থাকা বাংলাদেশিরা ক্যাম্পে কী অবস্থায় আছেন এবং তাদের আইডেন্টিফিকেশনটা আমাদের দরকার। প্রত্যেকটা আইডেন্টিফিকেশন সঠিক কি-না, তা জানার পরে তাদেরকে ফিরিয়ে আনার পরবর্তী পদক্ষেপ নেয়া হবে।
তবে বাংলাদেশ মিশন জীবিত নাগরিকদের তথ্য সংগ্রহ করে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখছে জানিয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, গ্রিস সরকারের সহায়তায় জীবিতদের সুস্থ করে দেশে ফিরিয়ে আনা সরকারের লক্ষ্য।
সংবাদটি শেয়ার করুন।
Copyright © 2026 সংবাদের আলো. All rights reserved.