
সংবাদের আলো ডেস্ক: স্পেন তার সামরিক ঘাঁটিগুলোকে ইরানে হামলার জন্য ব্যবহার করতে দেবে না বলে জানিয়েছেন, পররাষ্ট্রমন্ত্রী হোসে ম্যানুয়েল আলবারেস। যা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং স্পেনের যৌথভাবে পরিচালিত কিন্তু স্পেনের সার্বভৌমত্বের অধীনে। একইসঙ্গে ইরানে হামলার নিন্দা জানিয়েছে দেশটি।
সোমবার (২ মার্চ) ফ্লাইট ট্র্যাকিং ওয়েবসাইট -এর মানচিত্রে দেখা গেছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ইরানে সপ্তাহান্তে হামলা শুরু করার পর থেকে দক্ষিণ স্পেনের রোটা এবং মোরন সামরিক ঘাঁটি থেকে পনেরোটি মার্কিন বিমান ত্যাগ করেছে।
ফ্লাইটরাডার২৪-তে কমপক্ষে সাতটি বিমান জার্মানির রামস্টাইন বিমান ঘাঁটিতে অবতরণ করেছে বলে দেখানো হয়েছে।
ব্রিটেনও প্রথমে ইরানের উপর আক্রমণের জন্য তার ঘাঁটি ব্যবহারের অনুমতি দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিল, কিন্তু রবিবার প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার ‘সম্মিলিত আত্মরক্ষার’ কথা বলে তাদের ব্যবহারের অনুমোদন দিয়েছেন।
স্পেনের অবস্থান এবং সমাজতান্ত্রিক প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজের, ইরানে মার্কিন-ইসরাইলি কর্মকাণ্ডের তীব্র নিন্দা আবারও এই অঞ্চলে তাদের একটি বহির্মুখী অবস্থানে পরিণত করেছে, যা ওয়াশিংটনের সাথে তাদের সম্পর্ক আরও খারাপ করার শঙ্কা বাড়িয়েছে। রয়টার্স বলেছে।
এদিকে, স্প্যানিশ সম্প্রচারক টেলিসিনকোর সাথে কথা বলতে গিয়ে আলবারেস বলেন, ‘এই অভিযানের জন্য স্প্যানিশ ঘাঁটি ব্যবহার করা হচ্ছে না, এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে চুক্তিতে অন্তর্ভুক্ত নয় এমন কোনো কিছুর জন্য বা জাতিসংঘের সনদের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ নয় এমন কোনো কিছুর জন্য এই ঘাঁটি ব্যবহার করা হবে না।’
অন্যদিকে, প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ শনিবার থেকে ইরানে শুরু হওয়া মার্কিন ও ইসরাইলি হামলার নিন্দা জানিয়েছেন, যা আন্তর্জাতিক আইনের বাইরে একটি ‘অযৌক্তিক এবং বিপজ্জনক সামরিক হস্তক্ষেপ।
এছাড়া প্রতিরক্ষামন্ত্রী মার্গারিটা রোবেলস বলেছেন, ‘ঘাঁটিগুলো ব্যবহার করতে দেয়া হবে না যদি না, কোনো নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে, মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে এটি প্রয়োজনীয় হয়’।
সংবাদটি শেয়ার করুন।
Copyright © 2026 সংবাদের আলো. All rights reserved.