
সংবাদের আলো ডেস্ক: তিনি বলেন, তিস্তা পাড় থেকে এই বিজয় শুরু হয়েছে। সারা বাংলায় এখন মুক্তির গণ জোয়ার শুরু হয়েছে। এতে দেশের মেয়েরাই আমাদের শক্তি জুগিয়েছিল।
৪ দিন আগে আমার এক্স আইডি হ্যাক করে যাত্রা চালানো হয়েছে। আর একটি দল তাইরে নাইরে বলে ঝাঁপিয়ে পড়ছে। লজ্জা, ওদের চুনুপুটিসহ বড় বড় নেতারাও গান গাওয়া শুরু করলো। আমাদের সাইবার টিম তাদেরকে শক্তভাবে ধরে ফেলেছে। অভিযুক্তকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। সত্য ঢাকা থাকে না।
তিনি বলেন, রংপুর অঞ্চলের আবু সাইদ বলেছিল ভেতরে তুমুল ঝড়, বুক পেতেছি গুলি কর। গুলি পিঠে নেয় নাই, তিন তিনটি গুলি বুকে নিয়েছিল। এটাই বীরত্বের পরিচয়। এখান থেকে জুলাই আন্দোলন জ্বলে উঠেছিল। আপনারা বড়ই সৌভাগ্যবান।
আমরা আপনাদেরকে কথা দিচ্ছি, আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে আপসহীন যোদ্ধা হিসেবে আবরার ফাহাদ প্রথমে শাহাদৎ বরণ করেছিল। তার রাস্তা ধরে আবু সাইদের মৃত্যু। সেই রাস্তা ধরে তাদের সহযোদ্ধা শরিফ ওসমান হাদি হয়েছেন। একে একে তারা ১৪শ জন শহীদ হয়েছে। এই ১৪শ বীরের লাশ এখন এই জাতির ঘাড়ে। এই ১৪শ জন বীরের রক্ত আমাদের নদীগুলো লাল করে দিয়েছে। আমরা এই বীরদের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করবো না।
তিনি বলেন, আমাদের নদীগুলোকে কঙ্কাল বানিয়ে হত্যা করা হয়েছে। সবগুলো চোর। নদী ভাঙনরোধের জন্য যতগুলো বাজেট হয়েছে সব তাদের পেটে গিয়েছে। এই চোরেরা টাকা চুরি করে বিদেশে পাচার করেছে ২৮ লক্ষ কোটি টাকা। আমরা যদি সুযোগ পাই তাহলে ওদের বুকের হাত ঢুকিয়ে সব বের করে আনা হবে। ক্ষমতায় গেলে দেশের সবচেয়ে পিছিয়ে পড়া জেলা কুড়িগ্রাম থেকে উন্নয়ন শুরু হবে।
বুধবার দুপুর সাড়ে ১২ টায় কুড়িগ্রাম কলেজ মাঠে ১১ দলীয় জোটের নির্বাচনী জনসভায় এসব কথা বলেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। এ সময় এনসিপি'র সদস্য সচিব আকতার হোসেন, জেলা জামায়াতের আমিরসহ ৪টি সংসদীয় আসনের প্রার্থীসহ কেন্দ্রীয় ও জেলা জামায়াত ও ১১ দলীয় জোটের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিল।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, আমরা মায়েদেরকে কথা দিচ্ছি, আমাদের সবকিছুর বিনিময়ে আপনাদের চলাচলে শতভাগ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। মা-বোনদের সম্মান করা আমাদের সবচেয়ে বড় দায়িত্ব।
তিনি আরো বলেন, জামায়াতী ইসলামী এই যুগে সবচেয়ে বড় দল। কিন্তু আমরা কোনো দলীয় সরকার কায়েম করতে চাই না। আমরা কোনো পরিবার ও গোষ্ঠীতন্ত্র কায়েম করতে চাই না। আমরা বাংলাদেশ জামায়াতীর বিজয়ও চাই না। আমরা চাই ১৮ কোটি মানুষের বিজয়।
তিনি বলেন, তিস্তা পাড় থেকে এই বিজয় শুরু হয়েছে। সারা বাংলায় এখন মুক্তির গণ জোয়ার শুরু হয়েছে। এতে দেশের মেয়েরাই আমাদের শক্তি জুগিয়েছিল।
৪ দিন আগে আমার এক্স আইডি হ্যাক করে যাত্রা চালানো হয়েছে। আর একটি দল তাইরে নাইরে বলে ঝাঁপিয়ে পড়ছে। লজ্জা, ওদের চুনুপুটিসহ বড় বড় নেতারাও গান গাওয়া শুরু করলো। আমাদের সাইবার টিম তাদেরকে শক্তভাবে ধরে ফেলেছে। অভিযুক্তকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। সত্য ঢাকা থাকে না।
তিনি বলেন, রংপুর অঞ্চলের আবু সাইদ বলেছিল ভেতরে তুমুল ঝড়, বুক পেতেছি গুলি কর। গুলি পিঠে নেয় নাই, তিন তিনটি গুলি বুকে নিয়েছিল। এটাই বীরত্বের পরিচয়। এখান থেকে জুলাই আন্দোলন জ্বলে উঠেছিল। আপনারা বড়ই সৌভাগ্যবান।
আমরা আপনাদেরকে কথা দিচ্ছি, আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে আপসহীন যোদ্ধা হিসেবে আবরার ফাহাদ প্রথমে শাহাদৎ বরণ করেছিল। তার রাস্তা ধরে আবু সাইদের মৃত্যু। সেই রাস্তা ধরে তাদের সহযোদ্ধা শরিফ ওসমান হাদি হয়েছেন। একে একে তারা ১৪শ জন শহীদ হয়েছে। এই ১৪শ বীরের লাশ এখন এই জাতির ঘাড়ে। এই ১৪শ জন বীরের রক্ত আমাদের নদীগুলো লাল করে দিয়েছে। আমরা এই বীরদের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করবো না।
তিনি বলেন, আমাদের নদীগুলোকে কঙ্কাল বানিয়ে হত্যা করা হয়েছে। সবগুলো চোর। নদী ভাঙনরোধের জন্য যতগুলো বাজেট হয়েছে সব তাদের পেটে গিয়েছে। এই চোরেরা টাকা চুরি করে বিদেশে পাচার করেছে ২৮ লক্ষ কোটি টাকা। আমরা যদি সুযোগ পাই তাহলে ওদের বুকের হাত ঢুকিয়ে সব বের করে আনা হবে। ক্ষমতায় গেলে দেশের সবচেয়ে পিছিয়ে পড়া জেলা কুড়িগ্রাম থেকে উন্নয়ন শুরু হবে।
বুধবার দুপুর সাড়ে ১২ টায় কুড়িগ্রাম কলেজ মাঠে ১১ দলীয় জোটের নির্বাচনী জনসভায় এসব কথা বলেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। এ সময় এনসিপি'র সদস্য সচিব আকতার হোসেন, জেলা জামায়াতের আমিরসহ ৪টি সংসদীয় আসনের প্রার্থীসহ কেন্দ্রীয় ও জেলা জামায়াত ও ১১ দলীয় জোটের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিল।
সংবাদটি শেয়ার করুন।
Copyright © 2026 সংবাদের আলো. All rights reserved.