
স্টাফ রিপোর্টার: সারাদেশে পল্লীবিদুতায়ন র্বোড(আরইবি) ও পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি (পবিস) একীভূতকরণসহ চার দফা দাবিতে অনির্দিষ্টকালের জন্য কর্মবিরতি পালন করছেন পল্লীবিদ্যুৎ সমিতির কর্মকর্তা- কর্মচারীরা।গত ৭ সেপ্টেম্বর থেকে এ আন্দোলন শুরু হয়। সারা দেশের ন্যায় আন্দোলনে যোগ দিতে মঙ্গলবার(৯ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকে গাজীপুরের কালিয়াকৈরে চন্দ্রা জোনাল পল্লীবিদ্যুৎ অফিস সহ অন্যান্য শাখা অফিসের কর্মচারীরা এ কর্মবিরতি পালন করছেন। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন লাশ লাশ গ্রাহক।
এক দিকে অতিরিক্ত দাহ দাহের প্রচন্ড গরম ,অপরদিকে বিদ্যুতের লোড সেটিং এর কারনে জন জীবন অতিহ্য পড়েছে। মঙ্গল সকালে গিয়ে কালিয়াকৈর চন্দ্রা জোনাল অফিসে গিয়ে দেখা যায় অফিস অনেকটাই ফাঁকা। এদিকে সেবা নিতে আসা শত শত গ্রাহক সেবা না পেয়ে ভোগান্তির শিকার হয়ে ফিরে যাচ্ছেন অনেকেই। পল্লীবিদ্যুৎ অফিসের সব কক্ষ খুলা থাকলেও নেই কর্মকর্তা কর্মচারীরা।
এদিকে সেবা দিতে আসা দুলাল আহমেদ বলেন সকাল আটটার দিকে বিল পরিশোধ ও নতুন মিটারের আবেদন করতে এসে দেখি অফিস খুলা অথচ কেউ নেই। আর যারা আছেন তারা কোন কাজ করছেন না। অরদিকে শাহজান মিয়া নামের আরেক গ্রাহক বলেন আমার মিটার সমস্যা নিয়ে কথা বলতে এসেছি অথচ তারা আমার কোন কথাই শুনছেন না। এদিকে গত এক মাস ধরে আমার মিটারে বিল বেশি আসছে এটার জন্য আবেদন করতে আসছি। অথচ অফিসের লোকজন আমার কোন আবেদন গ্রহন করছেন না।
এদিকে পল্লী বিদ্যুৎ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দাবিগুলো হলো- আরইবি ও পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির একীভূতকরণ বা অন্য বিতরণ সংস্থার মতো কোম্পানি গঠনের প্রজ্ঞাপন জারি করা, সব চুক্তিভিত্তিক কর্মীদের স্থায়ী করা, চাকরিচ্যুতদের পুনর্বহাল ও মামলা প্রত্যাহার এবং বদলি বা বরখাস্তের বিষয়ে গঠিত কমিটির প্রতিবেদন বাস্তবায়ন। এছাড়াও গত ১৭ আগস্ট থেকে এ পর্যন্ত চাকরিচ্যুত ও বরখাস্তকৃতদের পূর্বের কর্মস্থলে পুনর্বহাল, লাইনক্রুদের নির্দিষ্ট কর্মঘণ্টা নির্ধারণ, আন্দোলনকালে যোগদান করতে না পারা পাঁচজন লাইনক্রুকে আগের পদে ফিরিয়ে দেওয়া এবং পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ।
গ্রাহকদের ভোগান্তি বিষয়ে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কেউ গণমাধ্যমে কথা বলতে রাজি হননি। গণমাধ্যমের সামনে কথা বললে পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড থেকে শাস্তির আওতায় আনা হবে বলে অভিযোগ তাদের। গাজীপুর পল্লীবিদ্যুৎ সমিতি -১ কালিয়াকৈর চন্দ্রা জোনালের ব্যবস্থাপক মোঃ জসিম উদ্দিন বলেন অধিকাংশ কর্মচারীরা ছুটির আবেদন দিয়ে চলে গেছেন। আর যারা আছেন তাড়াও কর্মবিরতি পালন করছেন। এদিকে আমি আর একা কত সামলাবো বিষয় গুলো।
সংবাদটি শেয়ার করুন।
Copyright © 2026 সংবাদের আলো. All rights reserved.