নগদ একাউন্ট থেকে টাকা গায়েব, থানায় জিডি
খাইরুল ইসলাম, কামারখন্দ (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের কামারখন্দে মোছা. সালমা খাতুন নামের এক নারীর নগদ একাউন্ট থেকে দুই দফায় ৪২ হাজার ২৫০ টাকা উত্তোলনের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় তিনি থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। অভিযোগের কামারখন্দ থানার জিডি নম্বর ২১।
লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ২৯ জুলাই বিকেল ৫টা ৫২ মিনিটে সালমা খাতুনের একাউন্ট থেকে অজ্ঞাতভাবে ১০ হাজার ১৫০ টাকা ০১৬১৪৮৯১০৬১ নম্বরে চলে হয়। পরদিন ৩০ জুলাই সকাল ১১টা ৪৯ মিনিটে আরও ৩২ হাজার ১০০ টাকা ০১৭৭৮২৮৮০৪২ নম্বরে চলে যায়। পরে টাকা তুলতে গিয়ে একাউন্টে কোনো অর্থ না থাকায় বিষয়টি তার নজরে আসে। জানা গেছে, ভুক্তভোগী সালমা খাতুনের নামে থাকা নগদ একাউন্টটি ব্যবহার করতেন বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ডের (বিআরডিবি) এক মাঠকর্মী নার্গিস পারভীন।
এ বিষয়ে সাংবাদিক কে নার্গিস পারভীন বলেন, ‘০১৯৩১৯৯৭৪৮৮ এই নম্বরটি আমার নামে। তবে নগদ একাউন্টটি খোলা হয়েছিল সালমা খাতুনের নামে, তার সম্মতিতেই। আমি নিয়মিত অন্যান্য গ্রাহকের কিস্তির টাকা এই একাউন্টের মাধ্যমে আদায় করতাম। কিন্তু ২৯ ও ৩০ জুলাই দুই ধাপে একাউন্টে মোট ৪২ হাজার ৩৫০ টাকা আসার পর টাকা তুলতে গিয়ে দেখি একাউন্টে কোনো অর্থ নেই।
তিনি আরও জানান, বিষয়টি জানতে পেরে নগদ কাস্টমার কেয়ারে যোগাযোগ করলে তাকে জানানো হয় একাউন্টটি হ্যাক হয়েছে। ভুক্তভোগী নার্গিস পারভীন বলেন, ‘আমি কোনো ওটিপি কাউকে দিইনি, কোনো এসএমএস বা ফোনও আসেনি। অথচ একাউন্ট থেকে টাকা চলে গেছে।
নগদের গাফিলতির কারণেই প্রতারকরা টাকা তুলতে সক্ষম হয়েছে। আমি আমার টাকা ফেরত চাই। কামারখন্দ থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মাসুদ রানা সাংবাদিক কে বলেন, “বিষয়টি নিয়ে থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) হয়েছে। আমি ওসি স্যারের সঙ্গে কথা বলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব।
তবে ভুক্তভোগী যদি সরাসরি নগদ অফিসে যোগাযোগ করেন, তাহলে দ্রুত সমাধান পাওয়া যেতে পারে। এ বিষয়ে কামারখন্দ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল লতিফ বলেন, বিষয়টি এএসআই মাসুদ বিস্তারিত বলতে পারবে।



সংবাদের আলো বাংলাদেশ সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।