
পওে পুলিশ বিভিন্ন ¯’ানে অভিযান চালিয়ে গত ২ এপ্রিল রাতে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসেন।পরে যাহরা সারমিনকে তিনদিন থানায় রেখে গতকাল রোববার আদালতের মাধ্যমে স্কুল শিক্ষার্থীর বাবার হেফাজতে দেন। স্কুল শিক্ষার্থীর পরিবারের অভিযোগ, মামলা হওয়ার পর থেকে নানাভাবে আসামীসহ আসামীর লোকজন প্রাণ নাশের হুমকি দিয়ে আসছে। দ্রæত সকল আসামীদের গ্রেপ্তারের জোড় দাবী জানান, মানববন্ধনে আসা গ্রামবাসী। স্কুল শিক্ষার্থীর বাবা আজহারুল ইসলাম বলেন, আমার মেয়েকে প্রেমপ্রস্তাব দিয়ে ব্যর্থ হয়ে ঈদের দিন অস্ত্রের মুখে জান্নাতুল মোল্লাহ জোড় পূর্বক তুলে নিয়ে যায়্ধসঢ়; বিষয়টি কাশিমপুর থানায় একটি অভিযোগ দেই। পরে আমরা সেনা ক্যাম্পে আরেকটি অভিযোগ দিলে পুলিশ সেনাবাহিনীর সদস্যরা গত ২ এপ্রিল রাতে আমার মেয়েকে উদ্ধার করে থানা হেফাজতে নিয়ে আসেন।
পরে গত ৬ এপ্রিল আদালতের মাধ্যমে আমার মেয়েকে বুঝিয়ে পাইলেও আসামীরা প্রতিনিয়তই প্রাণ নাশের হুমকি দিয়ে যা”েছ। আমি মামলায় উল্লেখিত সকল আসামীদের দ্রæত গ্রেপ্তারের দাবী জানাই। এ ব্যাপারে অভিযুক্ত জান্নাতুল মোল্লাহর ব্যবহৃত মোবাইল নাম্বারে একাধিক ফোন করা হলেও মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। পরে একটি ক্ষুদ্র বার্তা পাঠালেও তিনি কোন উত্তর দেন নাই। কাশিমপুর থানার ওসি মনিরুজ্জামান বলেন, এঘটনায় মেয়ের মা বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেছেন। অপহৃত স্কুল শিক্ষার্থীকে উদ্ধার করে আদালতের মাধ্যমে তার পরিবারের কাছে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। আসামীদের গেপ্তারের জন্য চেষ্টা করা হ”েছ।
সংবাদটি শেয়ার করুন।
Copyright © 2026 সংবাদের আলো. All rights reserved.