
এতে ইমামের পা ও শরীরের বিভিন্ন অংশে জখম হয়। পরে স্থানীয় মুসল্লিদের সহযোগিতায় আহত ইমাম আব্দুল্লাহকে সিরাজগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যায়। স্থানীয়রা জানান, ১৮ বছর বয়সী হাফেজ মোহাম্মদ তালহা নিজেও একজন হাফেজ এবং তার বাড়ি মসজিদের পাশেই। তিনি ওই মসজিদে ইমামতি করতে চেয়েছিলেন, তবে স্থানীয়রা তাকে ইমাম হিসেবে গ্রহণ করেননি। ধারণা করা হচ্ছে,এর জের ধরেই তিনি ৪৭ বছর বয়সী ইমাম মাওলানা আব্দুল্লাহকে মারধর করেছেন।
তবে এ বিষয়ে অভিযুক্ত মোহাম্মদ তালহার সাথে কথা বলা সম্ভব হয়নি। এ বিষয়ে কামারখন্দ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আব্দুল মান্নান মুঠোফোনে জানান, ঘটনার স্থলে গিয়ে উৎসক জনতা পেয়েছি। পরে স্থানীয়দের সাথে কথা বলে শুনেছি হুজুরের নাকি নামাজ ভুল হয়েছিলো। পরে ইমাম সংশোধন করেও নামাজ পড়েছে। নামাজ শেষে তালহা নামের ওই ছেলে হুজুরের কাছে মাইথপিস নিয়ে কথা বলতে চেয়েছিলো পরে নাকি হুজুর মাউথপিস দেয়নি এটা নিয়ে ঝামেলা হয়েছিলো। হুজুর হাসপাতাল থেকে থানায় আসার কথা। থানায় আসলে হয়তো বুঝতে পারবো সে লিখিত অভিযোগ দিবে কিনা।
সংবাদটি শেয়ার করুন।
Copyright © 2026 সংবাদের আলো. All rights reserved.