
সাথে থাকা ব্যাংকের ওই চেক ও গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র ছিনিয়ে নিয়ে সরে যায়। পরবর্তীতে আমি নালিতাবাড়ী থানায় বিষয়টি অবহিত করলে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার পরামর্শক্রমে শেরপুর আদালতকেও অবহিত করি। এরপর আদালত থেকে বিকেলে ফিরে আসার সময় নালিতাবাড়ী শুঁটকি মহলে অভিযুক্ত জুয়েলের সাথে আমার দুলাভাই তোফাজ্জল ও কর্মরত প্রতিষ্ঠানের মালিক মঞ্জুরুল আহসানের দেখা হয়ে যায়। ওই সময় আমি জুয়েলকে দেখিয়ে চেক ছিনতাইকারী হিসেবে চিনিয়ে দিলে উপস্থিত জনতা তাকে চর থাপ্পড় দেয়। পরে স্থানীয় রাজনৈতিক ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত হলে জুয়েল মিমাংসার আশ্বাস দেয়। কিন্তু জুয়েল পরবর্তীতে উল্টো আহতের অভিনয় করে হাসপাতালে ভর্তি হয় এবং রুপালি, তোফাজ্জল ও মঞ্জুরুল আহসানের নামে থানায় অভিযোগ দেয়। এমতাবস্থায় পাওনা টাকা এবং চেক উদ্ধারে ১০ মার্চ আদালতে অভিযোগ দায়ের করে রূপালি।
জানা যায় নিজ স্ত্রীর ব্যাংক একাউন্টের চেক জমা দিয়ে আরো কয়েকজনের কাছ থেকে ঋণ নিয়েছে জুয়েল। তাছাড়া রূপালির কর্মস্থলের মালিক মঞ্জুরুল আহসান প্রকৃতপক্ষে একজন সহজ সরল মানুষ এবং প্রেসক্লাব নালিতাবাড়ীর ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক। তাকে মিথ্যা অভিযোগে জরানোতে তিনি বিব্রত বোধ করেন। ভুক্তভোগী রূপালি এবং মঞ্জুরুল আহসান সাংবাদিকদের মাধ্যমে এসব ঘটনার বিচার দাবি করেন। তবে এই রিপোর্ট লেখার সময় অভিযুক্ত রুকুনুজ্জামান জুয়েলকে ফোন দিলে তিনি ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আছেন। সেখান থেকে ফিরে কথা বলবেন বলে জানান।
সংবাদটি শেয়ার করুন।
Copyright © 2026 সংবাদের আলো. All rights reserved.