
ইসরাইলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী এই বক্তব্যের মধ্য দিয়ে হানিয়াকে হত্যার প্রায় পাঁচ মাস পর প্রথমবারের মতো স্বীকার করল ইসরাইল। তিনি দাবি করেন, হামাস ও হিজবুল্লাহকে পরাজিত করেছে তেলআবিব। ইরানের অস্ত্র উৎপাদন কারখানায় আঘাত ও সিরিয়ায় আসাদ সাম্রাজ্যকে উৎখাত করেছে। কাৎজের হুমকি, এবার ইয়েমেনে হুতিদের আস্তানা ধ্বংস এবং নেতাদের নির্মূল করা হবে। ইসরায়েল কাৎজ বলেন, হুতি সন্ত্রাসীদেরও জবাব দেয়া হবে। তাদের অবকাঠামো ধ্বংস করা হবে। নেতাদের শিরশ্ছেদ করা হবে। ইসরায়েলের দিকে যারাই হাত ওঠাবে, সে হাত কেটে ফেলা হবে। ইসরায়েল কাৎজ আরও বলেন, আজ যখন হুতি সন্ত্রাসীরা ইসরাইলের দিকে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করছে, আমি তাদের কাছে একটি স্পষ্ট বার্তা দিতে চাই: আমরা হামাসকে পরাজিত করেছি, হিজবুল্লাহকে পরাজিত করেছি, ইরানের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার গুরুতর ক্ষতি করেছি,
সিরিয়ায় আসাদ সরকারকে উৎখাত করেছি, আমরা শত্রুদের অক্ষশক্তির বিরুদ্ধে গুরুতর আঘাত করেছি, সেইসঙ্গে ইয়েমেনে হুতি সন্ত্রাসী সংগঠনকেও গুরুতর আঘাত করব, যা এখন শেষ পর্যায়ে রয়েছে। প্রসঙ্গত, গত জুলাইয়ে তেহরানে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের অভিষেক অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গিয়ে গুপ্তহত্যার শিকার হন ইসমাইল হানিয়া। সেসময় হামাস ও তেহরান তেলআবিবের দিকে অভিযোগের তীর ছুঁড়লেও সরাসরি স্বীকার করেনি তেলআবিব। এরপর সেপ্টেম্বরে বৈরুতে হিজবুল্লাহ প্রধান হাসান নাসরাল্লাহ এবং অক্টোবরে গাজায় হানিয়ার উত্তরসূরী ইয়াহিয়া সিনওয়ারকে হত্যা করে ইসরায়েল।
সংবাদটি শেয়ার করুন।
Copyright © 2026 সংবাদের আলো. All rights reserved.