
দেশে বাকশাল কায়েম করে টিকতে না পেরে ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানে পালাতে বাধ্য হয়েছেন শেখ হাসিনা। তবে ভারতে গিয়ে ষড়যন্ত্রের জাল বিছিয়ে দেশে সাম্প্রদায়িক বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করার চেষ্টা করছে অভিযোগ করে মহাসচিব বলেন, দেশ ছেড়ে ওপারে পালিয়ে গিয়ে হাসিনা ওখান থেকে ষড়যন্ত্র করছে, চক্রান্ত করছে। একটা মিথ্যা প্রচারণা চালাচ্ছে এখানে নাকি আমাদের হিন্দু ভাইদের ওপর অত্যাচার করা হচ্ছে। আমরা খুব শান্তিপ্রিয় মানুষ। আমরা সব সময় হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান, মুসলমান একসঙ্গে বসবাস করি। আমাদের দেশে কোন সাম্প্রদায়িকতা নাই।
ছাত্র-জনতাকে ধন্যবাদ জানিয়ে বিএনপির মহাসচিব বলেন, আমি ছাত্র-জনতাকে ধন্যবাদ জানাতে চাই, আমাদের ভাইয়েরা ১৫ বছর লড়াই করেছেন, তাদের ধন্যবাদ জানাতে চাই। তারা নিজেদের বুকের রক্ত ঢেলে দিয়ে আমাদের জন্য আবার একটা সুযোগ সৃষ্টি করে দিয়েছেন। যেন আমরা দেশে আবার একটা গণতান্ত্রিক পথ সৃষ্টি করতে পারি। আমরা এখানে সব মানুষের ভোটের অধিকার নিশ্চিত করতে চাই। কেউ তিনবার ১৫ বছর ধরে ভোট দিতে পারেন নাই। এই ভোটের অধিকারটা আমরা ফিরিয়ে দিতে চাই। দুপুরের পর থেকে খন্ড খন্ড মিছিল নিয়ে জনসভা স্থলে আসা শুরু করেন বিএনপির নেতা-কর্মীরা। মুখে স্লোগান আর হাতে ধানের শীষ নিয়ে জনসভা মুখরিত করে তোলেন কর্মীরা। দলটির মহাসচিব মঞ্চে আসার আগেই কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যায় জনসভা মাঠ। সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল হামিদের সভাপতিত্বে এসময় আরো বক্তব্য রাখেন, জেলা বিএনপির সভাপতি মির্জা ফয়সল আমীন, ঠাকুরগাঁও ৩ আসনের সংসদ সদস্যসহ দলটির অন্যান্য অঙ্গ সংগঠনের নেতাবৃন্দরা।
সংবাদটি শেয়ার করুন।
Copyright © 2026 সংবাদের আলো. All rights reserved.