
এ ধরনে প্রতিরোধকে সমর্থন করা ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের মৌলিক নীতির মধ্যে নিহিত এবং আগামী দিনে তা শক্তিমত্তা নিয়েই অব্যাহত থাকবে।’গত মে মাসে ইরানের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসির মৃত্যুর পর প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন মাসুদ পেজেশকিয়ান। নাসরুল্লাহর কাছে লেখা চিঠিতে ইরানের এই নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘আমি আত্মবিশ্বাসী যে, এই অঞ্চলে প্রতিরোধ আন্দোলন (হিজবুল্লাহ) ফিলিস্তিনের নিপীড়িত জনগণ ও এই অঞ্চলের অন্যান্য জাতির বিরুদ্ধে ইহুদিবাদী শাসনের (ইসরায়েলের) যে উগ্রতা ও অপরাধমূলক নীতি তা অব্যাহত রাখতে বাধা দেবে।’লেবাননভিত্তিক হিজবুল্লাহর অন্যতম আর্থিক ও সামরিক সহায়তাদানকারী দেশ হলো ইরান।
গোষ্ঠীটি ইরান সমর্থিত মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠীর জোট ‘প্রতিরোধ অক্ষের’ অংশীদার। যার ইসরায়েল ও মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের উপস্থিতি ও হেজেমনির বিরোধিতা করে। এই প্রতিরোধ অক্ষের অন্যান্য অংশীদার হলো গাজার হামাস, ইয়েমেন হুতি এবং সিরিয়া ও ইরাকের আরও কয়েকটি গোষ্ঠী।এদিকে, হাসান নাসরুল্লাহ গত শনিবার মাসুদ পেজেশকিয়ান ইরানের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার পর তাঁকে অভিনন্দন জানান। তবে ইরানের নির্বাহী ক্ষমতার অধিকারী প্রেসিডেন্ট হলেও তাঁর ক্ষমতা আসলে সীমিত। দেশটির সর্বময় ক্ষমতা আয়াতুল্লাহর হাতে। সেই হিসাবে ইরানের সর্বময় ক্ষমতা আসলে বর্তমান আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির হাতে। তিনি ১৯৮৯ সাল থেকে ইরানের আয়াতুল্লাহর পদ অধিকার করে আছেন।
সংবাদটি শেয়ার করুন।
Copyright © 2026 সংবাদের আলো. All rights reserved.